• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

যুক্তরাজ্যে বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন ভিসা পরিকল্পনা

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ১১ আগস্ট ২০১৯

যুক্তরাজ্যে আরও বিপুলসংখ্যক বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের আকৃষ্ট করতে নতুন ভিসা পরিকল্পনা উন্মোচন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ফাস্ট-ট্র্যাক ভিসা রুট নামে এ পরিকল্পনার আওতায় চলতি বছর থেকেই সার বিশ্ব থেকে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা যুক্তরাজ্যে প্রবেশ শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ও সর্বোচ্চ মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে ফাস্ট-ট্র্যাক ভিসা উন্নয়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাডুজ্য, জ্বালানি ও শিল্প কৌশল বিভাগকে বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ শুরুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ভিসার আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি খাতের বিজ্ঞানী ও গবেষকদের আকৃষ্ট করা হবে। বরিস বলেন, উদ্ভাবনের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে যুক্তরাজ্যের। বাইসাইকেল থেকে শুরু করে লাইটবাল্বের মতো নানা কিছু উদ্ভাবিত হয়েছে এ দেশে। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রথম ন্যাশনাল ডিএনএ ডাটাবেস বানিয়েছি আমরা, আবিষ্কার করেছি গ্রাফিন (কার্বনের পাতলা শিট), আর আমাদের অগ্রগামী বিজ্ঞানীরা আডা লাভেলেস এবং নোবেলজয়ী ফ্রান্সিস ক্রিক এবং পিটার হিগসের মতো বিজ্ঞানীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পেরে গর্বিত হবে।

জনসন বলেন, জ্ঞানের অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দেয়া নিশ্চিত রাখতে শুধু আমাদের এখানে যেসব মেধাবীরা রয়েছে তাদের সমর্থন দিলেই হবে না বরং অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা বিশ্ব থেকে মেধাবীদের আকৃষ্ট করা নিশ্চিত করতে হবে। নতুন এই ফাস্ট-ট্র্যাক ভিসা রুট তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল। তিনি বলেন, নতুন এ পরিকল্পনা বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে ব্রিটেনের অবস্থানকে দৃঢ় করবে। তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে মেধাবী ও সম্ভাবনাময়দের আকৃষ্ট করার মতো ভিসা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্রিটেনকে ইউরোপের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতি বানাতে চাই আমরা। তিনি বলেন বিশ্বের শীর্ষ বিজ্ঞানী গবেষকদের আকৃষ্ট করার অভিবাসন ব্যবস্থার মূল অংশ হবে ফাস্ট-ট্র্যাক ভিসা ব্যবস্থা। এছাড়াও বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের ব্রেক্সিট সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল পাওয়া বিজ্ঞানী ও গবেষকদের অতিরিক্ত তহবিল বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি চাই বিজ্ঞানের সুপারপাওয়ার হিসেবে ব্রিটেন নেতৃত্ব দেয়া অব্যাহত রাখুক। আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যাওয়ার পর তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান ও গবেষণায় আমরা সমর্থন অব্যাহত রাখব। যে পরিমাণ তহবিল হারাব তার চেয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়ার নিশ্চতা দিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায় আমাদের উদ্ভাবন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ পাবেন।