• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৪ সফর ১৪৪২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৭

মেক্সিকো সীমান্তে আরও তিন শতাধিক সেনা পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বুধবার, ০১ মে ২০১৯

মেক্সিকো সীমান্তে আরও তিন শতাধিক সেনা পাঠাতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের পক্ষ থেকে সামরিক বাহিনীকে এ সংক্রান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত সোমবার মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা অভিবাসন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় মেক্সিকো সীমান্তে আরও প্রায় ৩২০ সেনা মোতায়েন করবে। রয়টার্স।

পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ৩২০ সেনা মোতায়েন করা হবে। এতে খরচ পড়বে প্রায় ৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার। নতুন করে যুক্ত হওয়া এসব সেনাসদস্যরা সীমান্তে আগে থেকে দায়িত্বরত সামরিক বাহিনীর দুই হাজার ৯০০ সদস্যের সঙ্গে যুক্ত হবেন। মেক্সিকোর সঙ্গে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের তৎপরতা নতুন নয়। তবে এখন মার্কিনরাই ট্রাম্পের মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা স্টিফেন লেগোমস্কি। তার ভাষ্য, ‘কোন একটি স্থলবন্দর বন্ধ করে দেয়ার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের আছে। কিন্তু মেক্সিকোর সঙ্গে পুরো সীমান্ত যদি তিনি বন্ধ করে দিতে চান তাহলে তা আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।’ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করেন, মেক্সিকো সীমান্ত বন্ধের চিন্তা করা আর শরীর একে অপরের সঙ্গে যুক্ত এমন যমজ শিশুদের আলাদা করার কথা ভাবা একই রকম বিষয়। ট্রাম্প আগেও বহুবার মেক্সিকোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু এবার দেশটি মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে ঢোকা অভিবাসী হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এক সতর্ক বার্তায় জানায়, মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করতে আভিবাসন প্রত্যাশীদের এখন থেকে অনেক বেশি সময় লাগবে। কারণ তাদের কাগজপত্র পরীক্ষার জন্য সেখানে ৭৫০ জন এজেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে।হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টজেন নেইলসেনসহ আরও অনেক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অভিবাসী হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে উপস্থিত হতে চাওয়ার সংখ্যা বহু বেড়ে গেছে। এদের একটা বড় অংশই নারী ও শিশু।

মধ্য আমেরিকার দেশগুলোতে হওয়া সহিংসতা ও দারিদ্র্যের হাত থেকে বাঁচতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছে। এল সালভাদর, হন্ডুরাস ও গুয়েতেমালা থেকেই মূলত এদের আগমন। এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মেক্সিকোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত বন্ধ করার হুমকি দেন। সেখানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ সময়ের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দেব। আমি কোন খেলা খেলছি না। মেক্সিকোকে এটা বন্ধ করতে হবে।’