• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪১

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০

মনোনয়নপ্রত্যাশী ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তুমুল বিতর্ক

আগামী বছরের জুলাইয়ে চূড়ান্তভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে ডেমোক্র্যাটরা

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

image

গত বৃহস্পতিবার বিতর্ক পর্বে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন প্রত্যাশী (বাঁম থেকে) বার্নি স্যান্ডার্স, জো বাইডেন, এলিজাবেথ ওয়ারেন -রয়টার্স

২০২০ সালে ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হতে তৃতীয় দফায় বিতর্কে অংশ নিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপ্রত্যাশী জো বাইডেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং বার্নি স্যান্ডার্স প্রথমবারের মতো একসঙ্গে মঞ্চে উঠেন। এদিন, তারা টেক্সাসের হিউস্টনে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। স্বাস্থ্যসেবা ছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং শুল্ক নিয়েও বিতর্ক হয়েছে এ শীর্ষ নেতাদের মধ্যে। তবে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্কে জড়িয়েছেন তারা।

ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতাদের ধারাবাহিক বিতর্ক শেষে ২০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে ১০ জনকে বেছে নেয়া হবে। এরপর তাদের মধ্যে থেকে আগামী বছর নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ওই বছরের জুলাই মাসে দলীয় সম্মেলনে চূড়ান্তভাবে ডেমোক্র্যাটিক হোয়াইট হাউসের মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে কীভাবে সংস্কার করা যায় সে বিষয়টি মধ্যপন্থী এবং আরও প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে মতবিরোধের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্যান্ডার্স ও ওয়ারেন দুজনই সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে (মেডিকেয়ার ফর অল) সমর্থন দিচ্ছেন, যেটা বয়স্কদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিদ্যমান কেন্দ্রীয় কর্মসূচিকে আরও প্রসারিত করবে। যেখানে ‘সিঙ্গেল পেয়ার বীমা’ ব্যবস্থার মধ্যেই সব মার্কিনদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। স্যান্ডার্সের এ পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলে সমালোচনা করেছেন বাইডেন। এর পরিবর্তে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাশ্রয়ী সেবা প্রকল্প ‘অ্যাফর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ বিকাশের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত বলে অভিমত দিয়েছেন। সাবেক ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান বেটো ও’রউরকে, যার জন্মস্থান এল পাসোতে; যেখানে কিনা এলোপাতাড়ি বন্দুক হামলার ঘটনায় ২০ জন নিহত হয়েছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি অ্যাসল্ট রাইফেল বাজেয়াপ্ত করাকে সমর্থন করেন কি-না। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই। আমরা আপনাদের কাছে থাকা এআর-১৫, একে-৪৭ নিতে যাচ্ছি।’ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে সিনেটর কামালা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘স্পষ্টতই তিনি বন্দুকের ট্রিগার টেনে ধরেননি, তবে তিনি অবশ্যই টুইটের মাধ্যমে গোলা ছুড়ে চলছেন।’ উদ্বোধনী বক্তব্যে বেশিরভাগ প্রার্থী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আক্রমণ করেছেন এবং তাকে ‘বিভাজনকারী নেতা’ বলে অভিযুক্ত করার পাশাপাশি তাকে বর্ণবাদীর অভিযোগেও অভিযুক্ত করেছেন।