• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৫, ১৭ শাবান ১৪৪০

সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত আইআরজিসি

বিশ্বকে নিজ অবস্থান জানাতে ওয়াশিংটনকে আহ্বান ইরানের

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৯

image

মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ

ইরানের প্রভাবশালী রেভ্যুলশনারি গার্ডস কর্পসকে (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত করায় দেশটির এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে নিজেদের অবস্থান জানাতে আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। গত রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ মার্কিন এ সিদ্ধান্তকে বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশটিকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর চাপ বৃদ্ধি করলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাবে ও অপ্রত্যাশিত অস্থিরতা দেখা দেবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের তেলমন্ত্রী বিজান নামদার জাঙ্গানে। তেহরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

চলতি সপ্তাহে ইরানের প্রভাবশালী বিপ্লবী গার্ডসকে সন্ত্রাসীগোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো অন্য কোন দেশের সামরিকবাহিনীকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যা দিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপকে অবৈধ বলে দাবি করে আসছে ইরান। রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জারিফ বলেন, ‘এ বিষয়ে আজ (রোববার) আমরা সব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে বার্তা পাঠাব। এতে তাদের অবস্থান প্রকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হবে। আর সতর্ক করে দেয়া হবে, যুক্তরাষ্ট্রের এ অভূতপূর্ব ও বিপজ্জনক পদক্ষেপের পরিণতি ভোগ করতে হবে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছেও ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ অবৈধ পদক্ষেপের’ প্রতিবাদে চিঠি দেয়া হবে।

গত বছরের মে মাসে ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণার পর থেকেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। এরই মধ্যে ইরানের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে, সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইরানের তেল রফতানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে আরও কঠিন করার হুমকি দেয়ার জবাবে ইরানের তেলমন্ত্রী জাঙ্গানে বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম সব সময় উঠানামা করে এবং বিষয়টি এরকম নয় যে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক বেশি রয়েছে। বা বিশ্বের অন্য দেশের পক্ষ থেকে তেলের উৎপাদন অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়ার সুযোগও রয়েছে।