• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ১ কার্তিক ১৪২৫, ৫ সফর ১৪৪০

বাংলাদেশে তৈরি হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বাজারে আসছে

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

চলতি বছরের মধ্যেই বাজারে আসছে বাংলাদেশে তৈরি জাপানের বিশ্বখ্যাত হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন এবং জাপানের হোন্ডা মটরস্ কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড এ মোটরসাইকেল বাজারজাত করবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের একটি প্রতিনিধি দল শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে বৈঠককালে এ তথ্য জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শিল্পসচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ্, হোন্ডা মোটর কোম্পানি লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার নোরিয়াকি আবে, এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের পরিচালক আকিরা মুরায়ামা, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউইচিরু ইশি, হেড অভ্ ফাইন্যান্স শাহ মোহাম্মদ আশিকুর রহমানসহ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মোটরসাইকেল শিল্পের বিকাশে অব্যাহত নীতি সহায়তা প্রদান এবং স্থানীয় পর্যায়ে খুচরা যন্ত্রাংশ উৎপাদনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় কোম্পানির কর্মকর্তারা বলেন, বর্তমান সরকারের নীতি সহায়তার ফলে বাংলাদেশে মোটরসাইকেল শিল্প দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। গত অর্থবছরের বাজেটে এখাত সংশ্লিষ্ট সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে একই সঙ্গে মোটরসাইকেল বিক্রি শতকরা ১৫০ ভাগ এবং সরকারের রাজস্ব আয় প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা বেড়েছে। তারা মোটরসাইকেল খাতে প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী বাজেটেও শুল্ক সুবিধা বজায় রাখার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোর দাবি জানান।

বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার আমদানির পরিবর্তে দেশেই ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পখাত গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। মোটরসাইকেল শিল্পের বিকাশেও শুল্ক সুবিধাসহ অন্যান্য নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকবে। হোন্ডা মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত খুচরা যন্ত্রাংশ যৌথ বিনিয়োগে কিংবা শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কারখানাগুলোতে প্রস্তুত করা হবে। এর ফলে দেশেই শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ গড়ে ওঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।