• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮ ১ রমজান ১৪৪২

ফিলিপাইনে ভূমিকম্প নিহত ৮

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ২৮ জুলাই ২০১৯

image

ফিলিপাইনের লুজান দ্বীপে ভূমিকম্পে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা -রয়টার্স

ফিলিপাইনে মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প হানার পর ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পন অনুভূত হয়েছে। গত শনিবার স্থানীয় সময় সকালে ৫ দশমিক ৪ মাত্রায় প্রথম ভূমিকম্প হওয়ার ৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। এতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। দেশটির উত্তরে অবস্থিত বৃহত্তম লুজন দ্বীপের কয়েকটি বিচ্ছিন্ন জনবহুল দ্বীপে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের সময় ওই এলাকায় কোন সুনামি সতর্কতা জারি হয়নি।

ফিলিপাইনের দুর্যোগ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিকার্ডো জালাদ জানান, প্রথম ভূমিকম্পে পাঁচজন এবং পরবর্তী কম্পনে তিনজন নিহত হয়েছেন। মেয়র রাউল ডি সাগোন এএফপি বলেন, ৬০ জনের মতো মানুষ আহত হয়েছেন। গত শনিবার সকাল সোয়া ৪টার দিকে প্রথম ভূমিকম্পের সময় অনেকে তাদের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। পরপর দুটি কম্পনে অনেক ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে এবং রাস্তায় ফাটল দেখা দিয়েছে। পুলিশ সার্জেন্ট উজি ভিলা জানিয়েছেন, প্রথম ভূমিকম্পের সময় অনেকে ঘুমিয়ে থাকার কারণে নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পে বেশ কিছু বাড়ি ও দেয়াল ভেঙে গেছে। স্থানীয় ইতবায়াত শহরের স্কুল শিক্ষক এদনা গাতো বলেন, এটা আতঙ্কের, আমরা এখনও শক্তিশালী পরাঘাতগুলো অনুভব করতে পারছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চিকিৎসক ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিপাইনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। আহতদের উদ্ধারে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার। ফিলিপাইনে লুজন ও তাইওয়ানের মাঝামাঝি অবস্থিত বাতানেস দ্বীপপুঞ্জটি পর্যটকদের কাছে পুরনো আমলের পাথরের বাড়িঘরের জন্য পরিচিত। শনিবারের ভূমিকম্পে ওই বাড়িগুলোরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থানের ফিলিপাইনে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। বিশ্বের সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর অর্ধেকের বেশি রয়েছে যে এলাকায়, প্রশান্ত মহাসাগরের সেই ‘রিং অব ফায়ার’র মধ্যেই দেশটির অবস্থান। দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত ফিলিপাইন ৭ হাজার ১০৭টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ১১টি বড় দ্বীপ মোট আয়তনের ৯৪ শতাংশ এলাকা নিয়ে বিস্তৃইনের মোট আয়তন ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭৬৪ বর্গ কিমি.। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ এর অংশ। এ কারণে দেশটি প্রচন্ড ভূমিকম্পপ্রবণ। এছাড়া দেশটিতে চার শতাধিক আগ্নেয়গিরি রয়েছে।