• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১৯ জিলকদ ১৪৪১

প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান চীনের

ভেস্তে গেল বিক্ষোভ থামাতে ক্যারি ল্যামের পরিকল্পনা

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

image

হংকং সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গতকালও রাস্তায় নামেন গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকারীরা। প্রত্যর্পণ বিল বাতিলের দাবি ও চীনের নানা হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও ১৩ সপ্তাহ ধরে এই বিক্ষোভটি অব্যাহত রয়েছে -নিউইয়র্ক টাইমস

হংকংয়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে নেতা ক্যারি ল্যাম চলতি মাসের শুরুর দিকে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করতে বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহারের প্রস্তাব করলেও চীন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ তথ্য জানিয়েছে বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তা।

এক কর্মকর্তা জানান, ক্যারি লাম বিক্ষোভকারীদের মূল পাঁচটি দাবির মূল্যায়ন করে বেইজিংয়ের কাছে একটি প্রতিবেদন পেশ করেছিলেন। এতে বলা হয়, বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিলটি প্রত্যাহার করা হলে হংকংয়ে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক সংকটের সুরাহা হতে পারে। কিন্তু চীনের কেন্দ্র সরকার এ বিল প্রত্যাহারের প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। উপরন্তু লামকে বিক্ষোভকারীদের অন্য কোন দাবির কাছেও মাথানত না করার নির্দেশ দেয় চীন। সংকট সমাধানে লামের পরিকল্পনা চীনের কাছে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার এ ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রথমবারের মতো তুলে ধরেছে রয়টার্স। বিক্ষোভ ঠেকাতে হংকং সরকারের দমন পীড়নে চীন কতটা কলকাঠি নাড়ছে তার বাস্তব চিত্র বেরিয়ে এসেছে এ থেকেই। চীনে বন্দী প্রত্যর্পণের সুযোগ রেখে দুই মাস আগে হংকংয়ে প্রস্তাবিত একটি বিল বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠা বিক্ষোভ এখন হংকংয়ের স্বাধীনতা আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভের মুখে নেতা ক্যারি লাম বিলটিকে ‘মৃত’ ঘোষণার পরও আন্দোলন চলছে। বিক্ষোভকারীরা চান বিলটি পুরোপুরি প্রত্যাহার হোক। কিন্তু লাম বিলটি ‘মৃত’ ঘোষণা করলেও সেটি ‘প্রত্যাহার’ করার কথা প্রকাশ্যে বলেননি। চীনের কেন্দ্র সরকার বরাবরই হংকংয়ে এ বিক্ষোভের নিন্দা জানিয়ে এর জন্য বিদেশি শক্তিগুলোকে দায়ী করে আসছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারবারই অন্যান্য দেশগুলোকে হংকংয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানিয়েছেন। হংকংয়ের বিক্ষোভকারীদের শান্ত করতে তাদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করে নেতা ক্যারি লামের ওই মূল্যায়ন প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয় ৭ আগস্টের আগেই। ওই সব দাবির মধ্যে প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহার এবং বিক্ষোভ-সহিংসতার স্বাধীন তদন্ত- এ দুটোই বিক্ষোভ থামাতে সবচেয়ে সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন হংকং প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা। কিন্তু বেইজিং দুটোই নাকচ করে দিয়েছে। বিক্ষোভ থামাতে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহারের অভিযোগ যাচাই করে দেখার বিষয়টিতেও চীন সায় দেয়নি বলে জানান তিনি।