• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮ ১ রমজান ১৪৪২

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ

পেন্টাগনের তহবিল ব্যবহারে অনুমোদন পেলেন ট্রাম্প

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ২৮ জুলাই ২০১৯

image

ট্রাম্পের অভিবাসন চুক্তিতে সই করল গুয়েতেমালা

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য পেন্টাগনের তহবিল থেকে আড়াইশ’ কোটি ডলার ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি এ রায় দেন। এদিকে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়ার কয়েক দিনের মাথায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে অভিবাসন চুক্তিতে সই করেছে গুয়েতেমালা। চুক্তির আওতায় হন্ডুরাস ও এল সালভাদর থেকে গুয়েতেমালা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চাওয়া অভিবাসীদের প্রথমে সেখানে থামাতে হবে আর আশ্রয় চাইতে হবে। যেসব অভিবাসীরা তা করতে ব্যর্থ হবে তারা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদনের অযোগ্য বিবেচিত হবে। ট্রাম্প বলেছেন এর বিনিময়ে গুয়েতেমালার কর্মীরা সহজে যুক্তরাষ্ট্রের খামারে কাজ করার সুযোগ পাবে।

এর আগে, ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল বিচারপতির দেয়া রায়ে কারণে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার আটকে গিয়েছিল। তবে গত শুক্রবার রক্ষণশীল নিয়ন্ত্রিত সুপ্রিমকোর্টের পাঁচ বিচারপতির মধ্যে চারজন ট্রাম্প দেয়াল নির্মাণে তহবিলের জোগান দেয়ার পক্ষে ভোট দেন। সুপ্রিমকোর্টের তহবিল প্রদানের রায়ের পর এক টুইটার বার্তায় একে বড় বিজয় বলে আখ্যা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২০১৬ সালে ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণার অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যকার সীমান্তে এ দেয়াল নির্মাণ। তবে এর কঠোর বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধার বিরোধিদল ডেমোক্র্যাটরা। সুপ্রিমকোর্টের আদেশের ফলে ক্যালিফোর্নিয়া, অ্যারিজোনা ও নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে তহবিল ব্যবহার করতে পারবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। চলতি বছরে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দেয়াল নির্মানের জন্য ৬৭০ কোটি মার্কিন ডলার চেয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের তরফ থেকে দাবি করা হয়, জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

ফেব্রুয়ারিতে টেক্সাসের রিও গ্রান্ডে উপত্যকায় দেয়াল নির্মাণে ১৩৮ কোটি মার্কিন ডলার অনুমোদন পায় মার্কিন কংগ্রেস। তবে আরও তহবিল অনুমোদন ঠেকাতে আইনি পদক্ষেপ নেয়া শুরু করে কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। আপরদিকে, গত সপ্তাহে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অভিবাসন চুক্তি স্বাক্ষর না করতে প্রেসিডেন্ট জিমি মোরালেসকে নির্দেশ দেয় গুয়েতেমালার সাংবিধানিক আদালত। ওই সময়ে চুক্তি সই আটকে গেলে মধ্য আমেরিকার দেশটির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দেন ট্রাম্প।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিক আদালতের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কিভাবে শুক্রবার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। গুয়েতেমালার সরকার জানিয়েছে দুই বছর মেয়াদি এ চুক্তি প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করা হবে। কোনও পক্ষই চুক্তির অধীনে কোনও তহবিল তৈরিতে বাধ্য নয়।

শুক্রবার চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যে কোনও দেশ পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আসা অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করতে পারছিলেন। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের তরফ থেকে আবেদনকারীর সংখ্যা সীমিত রাখতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।