• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭ ২৯ শাবান ১৪৪২

পাওনা ৫০ হাজার কোটি রুপি চেয়ে মোদিকে মমতার চিঠি

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাদের পাওনা রয়েছে ৪৯ হাজার ৬১৯ কোটি রুপি। বারবার চেয়েও তা পাওয়া যাচ্ছে না। আনন্দবাজার পত্রিকা।

দেশটির সংবাদ মাধ্যম এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে সেই পাওনা চাইলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সময়মতো পাওনা টাকা না পাওয়ায় রাজ্য চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে চার পাতার চিঠিতে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মোদিকে তিনি লিখেছেন, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। প্রাপ্য টাকা পেলে রাজ্যে আরও উন্নয়ন ঘটাব।’

গত জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে কলকাতা বন্দরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়ে সেদিন রাজভবনে গিয়ে মোদির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করেন মমতা। সে সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে দিল্লি গিয়ে আলোচনা করার প্রস্তাব দেন। সে কথা মুখ্যমন্ত্রীই তখন সাংবাদিকদের জানান। এরপর রাজ্য বাজেট সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৯-২০ আর্থিক হিসাব দেখে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও লেখেন মমতা।

এ প্রসঙ্গে আনন্দবাজার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘ন্যায্য’ দাবি জানিয়ে রাজ্যের পাওনা রুপি চেয়েছেন মমতা। এর মধ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে উল্লিখিত কেন্দ্রীয় করের অংশ হিসেবে প্রাপ্য ১১ হাজার ২১২ কোটি রুপি। কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ পাওনা ৩৬ হাজার কোটি। জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যের কোষাগারে ২৪০৬ কোটি রুপি আসার কথা। কেন্দ্রীয় প্রাপ্য করের টাকা প্রতি মাসের প্রথম দিনের বদলে ২০ তারিখে পাওয়ায় কোষাগারের নগদে টান পড়ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় অনুদানের টাকা দ্রুত বরাদ্দ করার জন্য লিখেছেন মমতা। জিএসটি ক্ষতিপূরণের অক্টোবর-নভেম্বরের পাওনা কেন্দ্র দিয়েছে ফেব্রুয়ারিতে। এ খাতেও রাজ্যের প্রাপ্য ২৪০০ কোটি রুপি।

তবে অর্থনীতি বিষয়ক কর্মকর্তা কেউ কেউ জানাচ্ছেন, কেন্দ্রীয় করের ৪২ শতাংশ রাজ্যের পাওয়ার কথা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের কর আদায় কম হওয়ায় রাজ্যের ভাগে রুপিও জুটেছে কম। কেন্দ্রীয় অনুদান বাবদ যে ৩৬ হাজার কোটি রুপি রাজ্যের পাওনা বলে দাবি করা হয়েছে, তার মধ্যে ২৩ হাজার কোটি বুলবুলের ক্ষতিপূরণ বাবদ।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের প্রশ্নে কেন্দ্রের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকায় সে টাকা পাওয়ার আশা কম। তবে জিএসটি ক্ষতিপূরণের দাবি ন্যায্য, দিল্লি তা দিতেও বাধ্য বলে মনে করছেন অর্থ-কর্মকর্তারা। নবান্নের এক শীর্ষ কর্মকর্তা আনন্দবাজারকে বলেছেন, ‘প্রতিবারই বকেয়া করের অর্থ মার্চ মাসের শেষে মেলে। এবারও যাতে তার অন্যথা না-হয় সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।’