• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫, ৭ রবিউল সানি ১৪৪০

নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

image

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ছবি: সিএনএন।

এবার মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চটেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করবেন তিনি। এজন্য তিনি একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছেন। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে। তারপর তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। গত বুধবার এ নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে তার। রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দাবি করে আসছে, ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ ছিল। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ক্ষতি করার এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাবমূর্তি বড় করার চেষ্টা করেছে দেশটি। এ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল হ্যাক করে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে এফবিআইর সাবেক পরিচালক রবার্ট মুলারের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। এমনকি গত জানুয়ারিতে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক মাইক পম্পেও মধ্যবর্তী মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। এ নির্বাচনে এমন বিদেশি হস্তক্ষেপের ঘটনা ঠেকাতেই এমন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত আগামী ৬ নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়টি ট্রাম্প অস্বীকার করলেও তারা নির্বাচনে বিদেশি হামলা ঠেকাতে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তবে ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এ প্রসঙ্গে একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার আদেশ অনুযায়ী, সাইবার হামলা বা অন্য কোনও উপায়ে মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করলে ব্যক্তি এমনকি পুরো প্রতিষ্ঠানকেই অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন সাইবার জগতে একটি নতুন নিয়ম চালু করতে আগ্রহী। এটা সেখানে সীমানা নির্ধারণের জন্য প্রথম পদক্ষেপ ও খারাপ ব্যবহারের বিপরীতে আমাদের প্রকাশ্য ঘোষিত প্রতিক্রিয়া।

এ আদেশের মাধ্যমে নভেম্বরের নির্বাচনের আগে নির্বাচন ব্যবস্থাকে নিñিদ্র করতে ট্রাম্প প্রশাসনের তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে। ওই নির্বাচনেই জানা যাবে, ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারবেন কিনা তা জানা যাবে। এ আদেশের ফলে নির্বাচনে কোনও প্রকার বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হলে সিআইএ, ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টসহ জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের দফতর ব্যাপক মাত্রায় ব্যবস্থা নিতে পারবে। খসড়া আদেশ অনুসারে, বিদেশিদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের বিষয়ে কোনও তথ্য জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গে ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স দফতরকে অবহিত করতে হবে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হ্যাকাররা ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটির গোপন তথ্য ফাঁস করে। এর আগের মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও ট্রাম্পের এমন নির্বাহী আদেশের খবর প্রকাশ করে।