• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব সানি ১৪৪১

তেল ট্যাংকারে হামলাকারীকে হুঁশিয়ারি ইরানের

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

image

আলেক্সান্ডার ল্যাভরেনতিয়েভ ও আলি শামখানি

লোহিত সাগরে ইরানি তেল ট্যাংকারের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি শামখানি। একইসঙ্গে এ হামলার মাধ্যমে যারা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে তাদের এমন জবাব দেয়া হবে তারা তাদের নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গত বুধবার তেহরান সফররত রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি আলেক্সান্ডার ল্যাভরেন্তিয়েভের সঙ্গে এক বৈঠকে এ মন্তভ্য করেন শামখানি।

গত শুক্রবার লোহিত সাগর দিয়ে যাতায়াতকারী ইরানি তেল ট্যাংকার ‘সাবিতি’র ওপর আধঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। এতে ট্যাংকারটির ক্ষতি হলেও কোনো ক্রু এতে হতাহত হননি। হামলার সময় ইরানি জাহাজটি সৌদি আরবের জেদ্দা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০ মাইল দূরে অবস্থান করছিল এবং জেদ্দা ছিল ওই ট্যাংকারের সবচেয়ে কাছের বন্দর। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ হামলার জন্য এখন পর্যন্ত সরাসরি কাউকে দায়ী করা হয়নি। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এর আগে বলেন, একাধিক দেশের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি দেশ এ হামলা চালিয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে সঠিকভাবে হামলাকারীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

সংকেত পাঠানো বন্ধ করেছে ইরানি

তেলবাহী চীনা জাহাজ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানের তেল আমদানিতে ব্যবহৃত চীনা প্রতিষ্ঠানের জাহাজগুলো তাদের অবস্থান জানানোর সংকেত পাঠানো বন্ধ করেছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানি তেল পরিবহনের অভিযোগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর চীনের পাঁচ ব্যক্তি দুটি ট্যাংকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর কয়েক দিন পর থেকেই চীনা জাহাজগুলো তাদের অবস্থান জানানোর সংকেত পাঠানো বন্ধ করেছে। তবে চীনের জাহাজ পরিবহন প্রতিষ্ঠান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরানের তেল রফতানি শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে গত মে মাসে তেহরানের ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা কঠোর করে যুক্তরাষ্ট্র। এই নিষেধাজ্ঞার পর দেশটির সবচেয়ে বড় ক্রেতায় পরিণত হয় চীন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছে, চীনের জাহাজগুলো তাদের অবস্থানের সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে বলে তারা নিশ্চিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, এটা মারাত্মক বিপদজনজক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। তবে এক ইমেইল বিবৃতিতে চীনের জাহাজ পরিবহন প্রতিষ্ঠান কসকো জানিয়েছে, তাদের জাহাজগুলো বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালাতে বিদ্যমান আইন-কানুন মেনে চলা অব্যাহত রেখেছে। প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক সমুদ্র পরিচালনার নীতি অনুযায়ী যে কোন জাহাজ থেকে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার জন্য প্রতিনিয়ত অবস্থানের সংকেত পাঠাতে থাকে। তবে কোন বিপদের আশঙ্কা হলে জাহাজের কর্মীরা এটি বন্ধ করে রাখতে পারেন। তবে এটা টানা বন্ধ করে রাখা অবৈধ কর্মকা- বলে বিবেচিত হয়।