• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলহজ ১৪৩৯

অভিবাসী ইস্যু

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফের আদালতের রুল

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

image

সানফ্রান্সিকোর আদালতের পর এবার ‘ড্রিমার প্রকল্প’ বাতিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছে ব্রুকলিনের আদালত। গত মঙ্গলবার বিচারপতি নিকোলাস গারোফিসের জারি করা রুলে বলা হয়, রিপাবলিকান প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী মার্চে ‘ড্রিমার কর্মসূচি’ বাতিল করা যাবে না। বার্তা সংস্থা রয়টার্স তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের কাজের অনুমতি দিতে ‘ড্রিমার’ কর্মসূচি ঘোষণা করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রশাসন। আওতায় কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের দফতর হোয়াইট হাউস। গত ৯ জানুয়ারি ‘ড্রিমার প্রকল্প’কে ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য রুল জারি করে সান ফ্রান্সিসকোর আদালত। এবার একই পথ অনুসরণ করলো ব্রুকলিনের আদালতও। মঙ্গলবার বিচারপতি নিকোলাস গারোফিস এক রুল জারি করে ট্রাম্প ঘোষিত সিদ্ধান্তটি আটকে দেন। একে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলাকারী ডেমোক্র্যাটিক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেল ও সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স অভিবাসীদের জন্য জয় বলে উল্লেখ করেছে। বিচারপতি নিকোলাস গারোফিস বলেন, প্রশাসন ডিএসিএ কর্মসূচি বাতিল করতে পারে, কিন্তু এটি বাতিলের জন্য গত সেপ্টেম্বরে যে যুক্তি দেখানো হয়েছিল তা স্বেচ্ছাচারী। সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ড্রিমার কর্মসূচি বাতিল করার পর ৫ মার্চ থেকে ড্রিমার অভিবাসী বিতাড়ন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সান ফ্রান্সিকোর ফেডারেল আদালত ৯ জানুয়ারি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুল জারি করে। সে সময় বিচারপতি উইলিয়াম আলসুপ বলেন, যেহেতু মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশ্যই এ কর্মসূচি বহাল রাখতে হবে। ওই রুলে বলা হয়, যারা এ কর্মসূচির আওতায় আগে কখনও সুরক্ষা পাননি তাদের কাছ থেকে নতুন আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চালানোর দরকার নেই। তবে যারা আগে এই কর্মসূচির আওতায় সুরক্ষিত ছিলেন তাদের আবেদন নবায়নের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি উইলিয়াম। সান ফ্রান্সিসকোর আদালতের রুলের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টের শরণাপন্ন হয় ট্রাম্প প্রশাসন।

ওই আবেদনটি কিভাবে বিবেচনা করা হবে তা নিয়ে আগামী শুক্রবার ৯ বিচারপতি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আদালত যদি মামলাটির শুনানি করার সিদ্ধান্ত নেয় তবে এ বিষয়ে এদিন দুপুরেই ঘোষণা আসতে পারে। আর সিদ্ধান্ত জানানো হবে জুনের শেষে। ড্রিমার প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত তরুণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সুরক্ষা দিতে চেয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এ কর্মসূচির দাফতরিক নাম ‘ডেফারড অ্যাকশন ফর চিলড্রেন অ্যারাইভাল’ (ডিএসিএ)। এ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস,পড়াশোনা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান প্রায় ৭ লাখ তরুণ। এ তরুণদের বলা হয় ‘ড্রিমার’। তবে গত সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটির সমাপ্তি ঘোষণা করে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে মার্চ থেকে বিতাড়িত হওয়ার হুমকিতে পড়েন ড্রিমাররা।