• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫, ৪ সফর ১৪৪০

খুলে দেয়া হলো সৌদি যুবরাজদের কয়েদখানা

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

নভেম্বরে সৌদি আরবে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া দুইশোর বেশি যুবরাজ, মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীদের কয়েদখানা হিসেবে ব্যবহার হওয়া রিৎজ-কার্লটন হোটেল সম্প্রতি খুলে দেয়া হয়েছে। রিয়াদে পাঁচ তারা হোটেলটির কর্মীরদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা বিবিসি জানায়, অতিথিদের প্রবেশের জন্যই হোটেলটি খোলা হয়েছে।

সৌদি আরবের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রিৎজ-কার্লটন হোটেলে এখনও ৫৬ জন বন্দি আছেন। যদিও দেশটির কোন কোন রিপোর্টে বলা হয়েছে, রিৎজ-কার্লটন হোটেলের বন্দিদের কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। জানুয়ারি মাসের শেষদিকে প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, যুবরাজসহ প্রভাবশালী গ্রেফতার ব্যক্তিদের সঙ্গে অর্থনৈতিক দন্ডের রফা করেছে সরকার। এ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যেই ১০ হাজার কোটি ডলার বা ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ উদ্ধার করেছে সরকার। যদিও সরকারের হিসাবে প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজদের গোপন বা অফশোর হিসাবের অর্থের পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত নভেম্বরে দেশটিতে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চালু হবার পর থেকে গ্রেফতার হওয়া প্রভাবশালী বন্দিদের রাখার জন্য রিৎজ-কার্লটনসহ বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল হোটেল ব্যবহৃত হতো। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সালমান, দেশটির দুর্নীতি দমন কমিটির প্রধানের দায়িত্ব নেবার পর থেকেই দুর্নীতি দমন অভিযান শুরু হয়। এরপর একে একে রাজপরিবারের সদস্য, মন্ত্রী, শীর্ষ ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার হন। তাদের বিলাসবহুল হোটেলে আটকে রাখা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনার পাশাপাশি, তাদের ব্যক্তিগত বিমানগুলো আটকে রাখা হয় এবং তাদের সম্পত্তি জব্দ করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে যুবরাজ আলওয়ালিদ বিন তালাল, এবং সৌদি মিডিয়া মোগল ওয়ালিদ আল-ইব্রাহিম উল্লেখযোগ্য। বলা হয়ে থাকে, দুর্নীতি দমনের পাশাপাশি যুবরাজের এ উদ্যোগের সঙ্গে ক্ষমতার যোগসূত্র আছে। তিনি এখন বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী প্রতিরক্ষামন্ত্রী। বলা হয়, যুবরাজ দুর্নীতি দমন অভিযানের মাধ্যমে তিনি কার্যত নিজের ক্ষমতার জানান দিয়েছেন।