• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ রজব সানি ১৪৪১

কাশ্মীরে বয়কটের মধ্যেও চলছে স্থানীয় নির্বাচন

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

ভারতশাসিত কাশ্মীরে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল নির্বাচন বয়কট করলেও স্থানীয় নির্বাচন (গ্রাম পঞ্চায়েত ও সারপাঞ্চ) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদলগুলোর দাবি এ নির্বাচন ‘অগণতান্ত্রিক’। এছাড়াও অনেক ভারতপন্থি নেতাকর্মীসহ সাবেক তিন মুখ্যমন্ত্রীকে এখনও আটক রাখা হয়েছে। তারপর এ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৩১৬টি আসনে ২৬ হাজার ৬২৯টি গ্রাম পরিষদের প্রধানরা (গ্রাম পঞ্চায়েত) এবং ৩ হাজার ৬৫২টি সারপাঞ্চ ভোট দেবেন। কাশ্মীরের মোট জনসংখ্যা ৭০ লাখ। তবে ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিপল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও পিপলস কনফারেন্সের মতো বড় দলগুলো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। ফলে ৬০ শতাংশ গ্রাম পরিষদের আসন ফাঁকা রয়ে গেছে। স্থানীয় কাশ্মীরি রাজনীতিবিদরা এমন সময়ে নির্বাচন আয়োজনের সমালোচনা করছেন। শেহলা রশিদ নামে তরুণ এক রাজনীতিবিদ চলতি মাসেই নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়ে বলেন তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্বাচনে অংশ নিয়ে একে ‘বৈধ’তা দিতে চান না। অনেক গ্রাম্য নেতাই সরকারের সরবরাহকৃত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আশ্রয় নিয়েছে। তাদের আশঙ্কা যেকোনও সময় সশস্ত্র হামলা হতে পারে। আসিয়া নামে ৩৪ বছর বয়সী এক নারী বলেন, সবাই ভয়ে আছি। আমি তিন সন্তান নিয়ে হোটেলে উঠেছি। কাশ্মীরের অনন্তনাগের সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য গোলাম আহমেদ মীর বলেন, বিজেপি এই অঞ্চল ধ্বংস করে দিচ্ছে। বেশিরভাগ নেতা যেখানে বন্দী সেখানে এ নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন বিজেপির জন্য, বিজেপি দ্বারা পরিচালিত ও বিজেপির নির্বাচন। এখানে কোনও গণতন্ত্র নেই।’

৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় দেশটির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার। লাদাখ ও কাশ্মীরকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে বিল পাস হয়। এ পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। গ্রেফতার করা হয়েছে স্থানীয় কয়েকশ’ নেতাকর্মীকে।