• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৬, ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন

কংগ্রেসের আহ্বানে বিরোধীদের বৈঠকে নেই মমতা-মায়াবতী

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২০

ভারতের বিতর্কিত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও প্রস্তাবিত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি)এবং প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে কংগ্রেসের আহ্বানে গতকাল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনডিটিভি।

ভারতীয় এ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, বিরোধীদের এই বৈঠকে যোগ দেননি নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সোচ্চার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি ও বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কংগ্রেসকে দেশজুড়ে সহিংসতায় মদত দেয়ায় অভিযুক্ত করেছে। মমতা ব্যানার্জিসহ দেশের বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাই জানিয়েছেন, তারা তাদের রাজ্যে আইনটি প্রয়োগ করতে দেবেন না। এনডিটিভি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ভারত বনধের দিন তৃণমূল কংগ্রেস ও বামকর্মীদের সংঘর্ষের পরে মমতা জানিয়ে দিয়েছেন, সোমবারের বৈঠকে তিনি থাকবেন না। বলেছিলেন, ‘গতকাল রাজ্যে যা হয়েছে, তারপর আমার পক্ষে বৈঠকে থাকা সম্ভব নয়।’ মমতা আরও বলেন, ‘আমিই সিএএ ও এনআরসির বিরুদ্ধে এই আন্দোলন শুরু করেছিলাম। বাম দলগুলো ও কংগ্রেস সিএএ-এনআরসির নামে যা শুরু করেছে তা কোন আন্দোলন নয়। গুন্ডামি।’ বহুজন সমাজপার্টির নেতা মায়াবতীও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আক্রমণ করে রাজস্থানের কোটায় শিশু মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, যদি সোনিয়া কোটায় গিয়ে সন্তানহারা মায়েদের সঙ্গে দেখা না করেন, তাহলে উত্তরপ্রদেশের আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে তার বৈঠককে মনে করা হবে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নাটক’। গত শনিবার দিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী দাবি করেছেন, ‘নাগরিকত্ব আইন বৈষম্যমূলক আইন। এই আইনের অশুভ উদ্দেশ্য প্রত্যেক দেশপ্রেমী, সহনশীল ও ধর্মনিরপেক্ষ ভারতীয়দের কাছে স্পষ্ট। এটা ভারতের মানুষকে ধর্মীয়ভাবে বিভাজিত করবে।’ উল্লেখ্য, বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে গত মাসে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশি হামলার পর তা ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এতে যোগ দেয় নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলো।