• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ২৪ জিলহজ ১৪৪১, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭

ট্রাক দুর্ঘটনা

উত্তর প্রদেশে ২৪ শ্রমিকের প্রাণহানি

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , রোববার, ১৭ মে ২০২০

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে ভাসমান শ্রমিকদের বহনকারী একটি ট্রাকের সঙ্গে অপর একটি ট্রাকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৪ জন নিহত ও আরও অনেকেই আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় ভোরের আগে লখনৌ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরের অরাইয়া জেলায় সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এনডিটিভি।

দেশটির সংবাদ মাধ্যমটি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে রাজস্থান ও পরে হরিয়ানা থেকে ভাসমান শ্রমিকরা বিহার, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের বাড়ি ফেরার লক্ষ্যে প্যাকেটজাত গম পরিবহনকারী একটি ট্রাকে ওঠেন। ট্রাকটি অরাইয়া জেলায় এসে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে অন্য ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। বেশকিছু ছবি ও ভিডিওতে দুর্ঘটনার পর আহত শ্রমিকদের সহায়তায় পুলিশ ও স্থানীয়দের এগিয়ে আসতে দেখা গেছে। উদ্ধারে অভিযানে বিপুল সংখ্যক পুলিশকেও মোতায়েন করা হয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

এদিকে এক বিবৃতিতে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কার্যালয় বলেছে, ‘অরাইয়াতে দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অবগত হয়েছেন। তিনি নিহত শ্রমিকদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছেন। কমিশনার এবং কানপুরের আইজিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্বলিত প্রতিবেদন দ্রুত দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’

এর আগের দিন (শুক্রবার) স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশের ভাসমান শ্রমিকদের নিজচেষ্টায় বাড়ি ফেরার উদ্যোগ না নিতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘সব ভাসমান শ্রমিকদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনার হেঁটে বা নিজেদের উদ্যোগে পরিবহনে করে বাড়ি ফেরার চেষ্টা এড়িয়ে চলুন। আমাদের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জানান। তারা আপনাদের সহযোগিতা করবে এবং বিনা পয়সায় পরিবহনের ব্যবস্থা করে দেবে। রাজ্যে ঢোকা সব ভাসমান শ্রমিকদের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে নিয়ে যেতে ও তাদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে সব কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া আছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৪ মার্চ থেকে ভারতে চলমান লকডাউনের কারণে বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়া ভাসমান শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারগুলো বিশেষ বাস ও ট্রেনের ব্যবস্থা করলেও অনেক শ্রমিকই কয়েকশ’ কিলোমিটার হেঁটে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফিরতে চেষ্টা করছেন।