• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

ইসরায়েলি বসতি স্থাপন শান্তি প্রক্রিয়া জটিল করে তুলছে : ট্রাম্প

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

image

ইসরায়েলের অধিকৃত পশ্চিম তীর এলাকায় স্থাপন করা বসতিগুলো প্যালেস্টাইনের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়াকে ‘জটিল’ করে তুলছে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে দেশটিকে বসতি স্থাপনের বিষয়টি মাথায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। গত রোববার ইসরায়েলি পত্রিকা ‘হাইয়ুম’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকাওে তিনি এমন মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি এও জানান, প্যালেস্টাইন বা ইসরায়েল কেউই শান্তি স্থাপন করতে প্রস্তুত বলে তিনি মনে করেন না। বিবিসি, রয়টার্স।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর প্যালেস্টাইনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় আর কোন শান্তি আলোচনায় বসবেন না তারা। পরে অবশ্য আব্বাস জানান, আন্তর্জাতিক পক্ষ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এ পরিকল্পনায় আসলে তা মানবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র কখন তাদের মধ্যপ্রাচ্য পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে-ইসরায়েল হাইয়ুমের এডিটর ইন চিফ বোয়াজ বিসমাউথের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দেখব কি ঘটে। এ মুহূর্তে প্যালেস্টাইন শান্তি স্থাপনের পথে নেই। আর শুধু তারাই নয়; ইসরায়েলের বিষয়েও আমার মনে হচ্ছে, তারা শান্তি স্থাপন করতে ইচ্ছুক না। সুতরাং আমাদের কেবলই অপেক্ষা করে যেতে হবে আর দেখতে হবে কি হয়।’ শান্তি পরিকল্পনায় ইসরায়েলি বসতির বিষয়টি থাকবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বসতি নিয়ে কথা বলব। বসতি স্থাপন এমন একটি বিষয় যেটি সবসময়ই শান্তি প্রক্রিয়াকে জটিল করেছে এবং খুবই জটিল করে তুলছে। সুতরাং বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে বলে আমি মনে করি।’

১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েলের দখলে নেয়া পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে গড়ে তোলা প্রায় ১৪০টি বসতিতে বাস করে ৬ লাখেরও বেশি ইহুদি। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এ বসতি স্থাপন অবৈধ। যদিও ইসরায়েল তা মানে না। হাইয়ুম পত্রিকার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্যালেস্টাইনের সঙ্গে শান্তি নিশ্চিত করার জন্য ইসরায়েলকে ‘উল্লেখযোগ্য আপোস’ করতে হবে বলে মস্তব্য করেন। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্তকে ট্রাম্প তার প্রথম বছরের ক্ষমতাকালের ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন সাক্ষাৎকারে। বলা হচ্ছে, ট্রাম্পের ডিসেম্বর ঘোষণায় জেরুজালেমে প্যালেস্টাইনের উপস্থিতির বিষয়টি নাকচ করা হয়নি, যারা জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলকে নিজেদের ভবিষ্যৎ রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ওই অংশটি ইসরায়েল দখল করেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, জেরুজালেম ইসরায়েলের রাজধানী। এখন কোথায় সীমান্ত টানা হবে তা নিয়ে দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছলে আমি সমর্থন দেব। শান্তি চুক্তি সম্ভব করতে চাইলে উভয়পক্ষকেই লক্ষণীয় আপোস করতে হবে বলে আমি মনে করি।’