• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪১

পশ্চিম তীর দখলের ঘোষণা

ইসরায়েলি ঘোষণার নিন্দায় ইউরোপীয় পাঁচ দেশ

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

image

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনের আগেই গাজায় হামলা চালানোর নতুন হুমকি নেতানিয়াহুর

প্যালেস্টাইনের পশ্চিম তীরের জর্ডান উপত্যকা দখলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘোষণার এবার নিন্দা জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ইউরোপের নেতৃস্থানীয় পাঁচ দেশ। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও স্পেন ওই যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এদিকে গত বৃহস্পতিবার প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে নেতানিয়াহুর ওই ঘোষণার নিন্দার জানিয়েছেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ।

ইউরোপের পাঁচ দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখল করলে ‘আন্তর্জাতিক আইনের ঘোরতর লঙ্ঘন হবে’। এজন্য দেশটিকে প্রতি এ বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। পশ্চিম তীর, বিশেষ করে জর্ডান উপত্যকা ও উত্তরাংশের মৃত সাগর (ডেড সি) উপকূল দখলে নেতানিয়াহুর ঘোষণায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও স্পেন। ‘এটি কার্যকর হলে, তা হবে আন্তর্জাতিক আইনের ঘোরতর এক লঙ্ঘন। এর ফলে ১৯৬৭ সালের চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের বিষয়টি হুমকির মুখে পড়বে এবং এ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা আরও কঠিন হয়ে যাবে।’ বিবৃতিতে সম্প্রতি প্যালেস্টাইনি-অধ্যুষিত গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলার ঘটনারও নিন্দা জানানো হয়। এতে বলা হয়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের অধিকারের ব্যাপারে আমরা সচেতন এবং সম্প্রতি গাজা থেকে সেখানে রকেট হামলারও নিন্দা জানাই। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের পুনর্র্নিবাচনকে সামনে রেখে গত মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক টেলিভিশন বক্তৃতায় নেতানিয়াহু বলেন, পুনরায় ক্ষমতায় এলে তার সরকার পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করবে। এ প্রতিশ্রুতিকে নির্বাচনী ‘ভাঁওতাবাজি’ হিসেবে অভিহিত করছে নেতানিয়াহুর বিরোধীরা। এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণায় প্যালেস্টাইন, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরব বিশ্বের দেশগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বুধবার রাশিয়াও নেতানিয়াহুর এ ঘোষণার বিরোধিতা করে। এটি এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াবে বলে হুঁশিয়ারি জানায় তারা। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে নেতানিয়াহুর সাক্ষাতের আগে আগে রাশিয়ার দিক থেকে এ মন্তব্য আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এ ইস্যুতে নীরব রয়েছে।