• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলহজ ১৪৩৯

ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনায় মধ্যস্থতা করবে কী জার্মানি!

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

সিরিয়ায় ইসরায়েলের বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এ দ্বন্দ্বে জার্মানির ভূমিকা কী হতে পারে- তা নিয়ে মতামত জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ গিল মার্সিয়ানো।

সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধে ইরান প্রকৃতপক্ষে ওই অঞ্চলে নিজেদের শক্তিমত্তা জাহির করতে চাচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ গিল মার্সিয়ানো। তার মতে, দেশটি সিরিয়ায় নৌ ও বিমান ঘাঁটি স্থাপন করার মধ্য দিয়ে হিজবুল্লাহকে শক্তিশালী করতে চাইছে। অপরদিকে, সিরিয়া সীমান্তে থেকে ইরান ভবিষ্যতে তার দেশে বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে বলে ইসরায়েলের আশঙ্কা। এ কারণে বড় ধরনের ঝুঁকি নেয়ার পরিকল্পনা করার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল তাদের নীতি পুরোপুরি পরিবর্তন করে ফেলেছে। তবে এখনই ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর চেষ্টা করছে না তেলআবিব। কিন্তু এভাবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এটি বড় সংঘাতে রূপ নেবে বলে মার্সিয়ানোর অভিমত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ সংঘাত সংঘটনে ইসরায়েলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে বা কখন তা বাস্তবায়ন করবে? কেননা, সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর পরপর ইরানের ওপর সিরীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ছিল। তবে এখন সিরিয়া নিজেকে বাঁচাতে অনেকটাই ইরানের ওপর নির্ভরশীল। তাই ইসরায়েলকে জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে ইরানকে সিরিয়ার উপর নির্ভর করতে হবে না। কয়েক মাস আগে ইরানের এক চিফ অফ স্টাফ কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে হাজির হন সিরিয়ায়। এর মধ্যে ছিল অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কিছু অধিকার সংক্রান্ত দাবি। তবে বর্তমানে যে অবস্থায় সিরীয় সরকার রয়েছে, তাতে ইসরায়েলের সঙ্গে তারা সরাসরি সংঘাতে যেতে চাইছে না। পাশাপাশি ইরানকে সঙ্গে রাখতে চাইছে তারা। অপরদিকে, রাশিয়ার সমর্থনও ইরানের দিকে। যদিও সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার পাওয়ার কিছু না থাকলেও হারানোর সম্ভাবনাই বেশি।

এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জার্মানি স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাস্তব পরিস্থিতিতে জার্মানি ইসরায়েলের বন্ধু রাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গেও তাদের একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র জার্মানিরই ইসরায়েল, ইরান এবং হিজবুল্লাহ ইস্যুতে মধ্যস্থতা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।