• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪১

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ হলে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জ্বলবে

হিজবুল্লাহ

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ০২ জুন ২০১৯

image

হাসান নাসরুল্লাহ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হলে সে আগুনে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জ্বলবে। গত শুক্রবার স্থানীয় সময় রাতে কুদস দিবস উপলক্ষে দেয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও ইসরায়েলকে হুঁশিয়ার করে এ মন্তব্য করেন লেবাননের হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহ। এদিকে, ইরানের ‘অপরাধমূলক’ কর্মকা-ের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলোকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। গত শুক্রবার ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা ওআইসির শীর্ষ সম্মেলন দেয়া ভাষণে এ আহ্বান জানান তিনি।

হিজবুল্লাহর মহাসচিব হাসান বলেন, ইরানে যুদ্ধ শুরু হলে তা দেশটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং যুদ্ধের আগুন গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে গ্রাস করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার গোয়েন্দা বাহিনী এটা ভালো করে জানে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পরিণতিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও সেনাবাহিনী ধ্বংস হবে এবং সৌদি শাসক গোষ্ঠী ও ইসরায়েলের মতো যারা যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে তাদের যুদ্ধের পরিণাম ভোগ করতে হবে। হিজবুল্লাহ মহাসচিব আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হলে আন্তর্জাতিক বাজারে এক ব্যারেল তেলের দাম ২০০ থেকে ৩০০ ডলার হবে। ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যাবে। নানা কারণেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে যাবে না। হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি প্রসঙ্গে নাসরুল্লাহ বলেন, ‘আমরা মিথ্যা বলি না। আমি আবারও গোটা বিশ্বের সামনে বলছি আমাদের কাছে লক্ষ্যে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার মতো যথেষ্ট পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা পরিবর্তন করে দেয়া সম্ভব’। এ সময় তিনি ট্রাম্পের ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’কে প্যালেস্টাইনিদের অধিকার হরণের ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে তা মোকাবিলার ঘোষণা দেন।

আপরদিকে, সৌদি আরবের মক্কায় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা সৌদি সম্মেলনে দেয়া ভাষণে সালমান বিন আবদুল আজিজ বলেন, সৌদি আরবে ইয়েমেনিরা যে হামলা চালাচ্ছে তাতে সহযোগিতা করছে ইরান। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি সৌদি আরবের তেলের পাইপ লাইনের দুটি পাম্পিং স্টেশনে যে ড্রোন হামলা হয়েছে তাতেও ইরান সহযোগিতা করেছে। এর আগে আরব লীগের শীর্ষ বৈঠকেও একই অভিযোগ করেন সৌদি বাদশাহ। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সহযোগিতা করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজায়রা বন্দরে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে নাশকতার কথাও তুলে ধরেন। তবে ইরান এর আগে এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ইয়েমেনে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে হামলা চালিয়ে আসছে সৌদি আরব। সম্প্রতি ড্রোনের সাহায্যে পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে ইয়েমেনের হাউথি বিদ্রোহীরা।