• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬, ৭ শাবান ১৪৪১

ইরাকে সহিংসতা থামানোর আহ্বান জাতিসংঘের

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

ইরাকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে মৃত্যুর ঘটনাকে ‘নির্বিচারে প্রাণহানি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এসব বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। গত শনিবার সংস্থাটির ইরাক বিষয়ক মিশনের প্রধান জেনাইন হেনিস-প্লাসচেয়ার্ট এ আহ্বান জানান।

বেকারত্ব, নিম্নমানের সরকারি পরিষেবা ও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগে চলতি মাসের ১ তারিখে ওই বিক্ষোভ শুরু হয়। গত শুক্রবার আন্দোলনকারীদের সব দাবি মেনে নিয়ে শনিবার বাগদাদে কারফিউ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল মাহদি। তবে বিক্ষোভকারীরা সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ঘোষণা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত এই আন্দোলনে কমপক্ষে ৯৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জেনাইন হেনিস-প্লাসচেয়ার্ট বলেন, ‘পাঁচ দিনে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এই প্রাণহানির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে শনিবার রাজধানী বাগদাদে জারি করা কারফিউ তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, কারফিউ প্রত্যাহার করা হলেও আন্দোলনের মূল কেন্দ্রস্থলে প্রবেশে বাধা দিয়েছে দাঙ্গা পুলিশ। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ফরাসি সংবাদ মাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, সর্বশেষ শনিবার রাজধানী বাগদাদের পূর্বাঞ্চলে একটি র‌্যালি ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। এতে পাঁচজন নিহত হয়।

ইরাকে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন নিরসনে দেশটির সরকারকে ভূমিকা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে আরব লিগ। গত শনিবার তারা সংলাপের মাধ্যমে এই বিক্ষোভের কারণ ও সমাধানের বিষয়ে আহ্বান জানান।

আরব লিগ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমরা আশা করছি ইরাক সরকার পরিস্থিতি শান্ত করতে উদ্যোগ নেবে।’ ইরাকের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তারা বলেন, চলমান সংকট নিরসনে এবং দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সব পদক্ষেপেই তারা সঙ্গে থাকবেন। সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে শনিবার রাজধানী বাগদাদে জারি করা কারফিউ তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বাগদাদের বাইরে অন্যান্য অঞ্চল থেকে কারফিউ প্রত্যাহার করা হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কারফিউ প্রত্যাহার করা হলেও আন্দোলনের মূল কেন্দ্রস্থলে প্রবেশে বাধা দিয়েছে দাঙ্গা পুলিশ।