• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮, ৯ কার্তিক ১৪২৫, ১৩ সফর ১৪৪০

ইউক্রেনে সহায়তা অব্যাহত রাখতে চায় ইইউ

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

image

ইউক্রেনের প্রতি সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত রাখার বিষয়ে ইইউয়ের পক্ষ থেকে কোনও স্থবিরতা দেখানো হয়নি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ফেডরিকা মোঘেরিনি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন একদিকে যেমন রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে অন্যদিকে তেমন ইউক্রেনকে অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে চলেছে। গত সোমবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো এবং মোঘেরিনি সংবাদ বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে ইউক্রেন প্রসঙ্গে মোঘেরিনির দেয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সংবাদ বিবৃতিতে ফেডরিকা মোঘেরিনি বলেন, ‘ইউক্রেনকে সাহায্য দেয়ার বিষয়ে আমাদের দিক থেকে কোনও স্থবিরতা নেই। কারণ আমরা সাহায্য দেয়ার ফলাফল পেয়েছি।’ ইউক্রেনের প্রতি দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করার পাশাপাশি দেশটির প্রতি দুর্নীতি দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান ইইউয়ের উচ্চপদস্থ এ কর্মকর্তা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভেনিস কমিশনের সুপারিশ মোতাবেক দুর্নীতি দমন একটি বিশেষ আদালত স্থাপন করবে ইউক্রেন। তার মতে, অনেকগুলো বিষয়ে ইউক্রেন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করলেও এখনও অনেক কিছু করার বাকি আছে। মোঘেরিনি জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চলতি বছরের মধ্যেই ১০০ কোটি ইউরোর একটি সহায়তা তহবিলের প্রথম কিস্তি ইউক্রেনকে দিতে চায়। তবে এ অর্থ সাহায্য ছাড়ের আগে সহায়তার শর্তগুলো নিয়ে আলাপ করতে হবে। মোঘেরিনি ইউক্রেন সফরে থাকার অবস্থাতেই ইইউ সোমবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরোপ করা অবরোধের মেয়াদ আরও ৬ মাস বৃদ্ধি করেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধ ইইউ এ অবরোধ ঘোষণা করেছিল ক্রিমিয়া দখল এবং পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহীদের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের অভিযোগে। ইইউয়ের সঙ্গে ইউক্রেনের সুসম্পর্ক রয়েছে। ইউক্রেন থেকে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে বিনা ভিসায় যাওয়া যায়। এ সুসম্পর্কের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মোঘেরিনি সফরের আগে সাংবাদিকদের জানান, ২০২০ সালের মধ্যে ২০টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য ইউক্রেনসহ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তারা সফল আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৩-১৪ সালে পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থক শক্তি ইউক্রেনের ক্ষমতায় এলে তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে ইইউ। কিন্তু তখন থেকেই প্রেসিডেন্ট পোরোশেঙ্কো ও তার সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচকরা অভিযোগ করছে, সংস্কারের নামে স্থবিরতায় নিমজ্জিত হয়েছে সরকার। যে গতি পরিবর্তন বাস্তবায়ন করার কথা, তা করতে পারছে না ইউক্রেনের সরকার।