• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২৪ চৈত্র ১৪২৬, ১২ শাবান ১৪৪১

আমাজন রক্ষায় নতুন উদ্যোগ

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

image

আর্নেস্টো আরুজো ও মাইক পম্পেও

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের পর ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ খ্যাত আমাজন বন রক্ষায় নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল। বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমাজনের উন্নয়নে সম্মত হয়েছে এ দুই দেশ। এছাড়া, একশ’ মিলিয়ন ডলারের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ তহবিল গঠনেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। গত শুক্রবার ওয়াশিংটনে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো।

এদিন ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্নেস্টো আরুজো দাবি করেছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বনাঞ্চল উন্মুক্ত করে দেয়াই সেটিকে রক্ষার একমাত্র উপায়। ব্রাজিল আমাজনের আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার বিষয়ে অভিযোগকারীদেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। আরুজো সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আমাজন অঞ্চলের উন্নয়নচেষ্টায় একসঙ্গে থাকতে চাই। আমরা নিশ্চিত যে, এটিই বন রক্ষার একমাত্র উপায়। তাই আমাদের দরকার নতুন নতুন উদ্যোগ, যা চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করবে ও আমাজনের মানুষদের আয় হবে। আর সেখানেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও জানিয়েছেন, আমাজন অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য পৌঁছাতে সহায়তা করবে তাদের জীববৈচিত্র্য বিনিয়োগ তহবিল।

তিনি বলেন, আমাদের প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড ট্রাম্প) গত মার্চে যে অঙ্গীকার করেছেন, ব্রাজিলিয়ান ও আমেরিকানদের দল সেটি অনুসরণ করবে। আমরা আমাজনের জন্য ১১ বছরে একশ’ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল নিয়ে নামছি, যে প্রকল্পে নেতৃত্ব দেবে বেসরকারি খাত। গত বছর আমাজন বনে ৮০ হাজারের বেশি অগ্নিকান্ড ঘটেছে।

পুড়ে ছাই হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ চিরহরিৎ বনের বিশাল অংশ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এসব অগ্নিকান্ডের বেশিরভাগই মানুষের কারণে ঘটেছে। আর, এ কাজে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসেনারো। আমাজন রক্ষায় ব্রাজিলের ওপর চাপ বাড়াতে সেখান থেকে মাংস ও সয়াবিন আমদানি বন্ধ করতে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে ফিনল্যান্ড। এছাড়া, গত সপ্তাহে আমাজোনিয়া পরিমাপ করতে সম্মত হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার সাতটি দেশ। বলিভিয়া, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, পেরু ও সুরিনাম দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি ও স্যাটেলাইট মনিটরিংয়ে একটি চুক্তি সই করেছে।