• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭ ২৯ শাবান ১৪৪২

আগামী মাসেই মায়ানমারকে সাবমেরিন দিচ্ছে ভারত

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আগামী মাসেই মায়ানমারের কাছে একটি কিলো-ক্লাস সাবমেরিন (ডুবোজাহাজ) ‘আইএনএস সিন্ধুবীর’ হস্তান্তর করতে যাচ্ছে ভারত। গত রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এ তথ্য জানায়।

চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে সিন্ধুবীরকে মায়ানমারের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই ডুবোজাহাজটি সংস্কার ও সংযোজনের কাজ শেষ করেছে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ড লিমিটেড (এইচএসএল)।

রাশিয়ার তৈরি ভারতের এ ডুবোজাহাজটিই মায়ানমারের নৌবাহিনীর জন্য এ ধরনের প্রথম পানির নিচের অস্ত্র হতে যাচ্ছে।

২০১৭ সালে ডুবোজাহাজটি সংস্কার করার দায়িত্ব পায় এইচএসএল। নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করে ভারতের নৌবাহিনীর কাছে সেটি হস্তান্তর করে তারা। মায়ানমারকে সামরিকভাবে উন্নত হতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে গত বছরের জুলাই মাসে এ ডুবোজাহাজটি তাদের দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।

১৯৮৬ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে কমিশন করা ভারতীয় নৌবাহিনীর কিলো-ক্লাস ডুবোজাহাজর একটি হলো আইএনএস সিন্ধুবীর। ২০১৩ সালে এক ডকইয়ার্ডে কামানের গোলায় ধ্বংস হয়ে যায় আইএনএস সিন্ধুরক্ষক নামে একটি। সিন্ধুবীর বিদায় হওয়ার পর দেশটির নৌবাহিনীতে এ শ্রেণীর ডুবোজাহাজের সংখ্যা হবে আট।

এর আগেও মায়ানমারকে সামরিক সহায়তা দিয়েছে ভারত। ২০০৬ সালে সমুদ্র পর্যবেক্ষণের জন্য মায়ানমারকে এক জোড়া বিএন-২ আইল্যান্ডার এয়ারক্র্যাফট দেয় দেশটি। অপরদিকে, চীন অনেকদিন ধরেই মায়ানমার ও বাংলাদেশকে তাদের পুরনো ডুবোজাহাজ দেয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে দুটি পুরনো মিং শ্রেণীর ডুবোজাহাজ দিয়েছে চীন এবং ঘাঁটি তৈরির জন্য সহায়তাও দিচ্ছে। ইতোমধ্যেই মায়ানমারকে সিন্ধুবীর হস্তান্তর করার মধ্য দিয়ে ভারত এ মহাসাগরে চীনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে।

গত ১৫ বছরে ভারত-মায়ানমার সামরিক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং মায়ানমার সফরে যান। সেসময় ইয়াঙ্গুনের প্রথম নৌবহর পরিদর্শন করেন। থিলাওয়ায় মায়ানমারের জাহাজ তৈরির কারখানাও ভ্রমণ করেন তিনি। এসব ক্ষেত্রেই ভারতের উল্লেখযোগ্য সহায়তা পেয়েছে মায়ানমার।