• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০, ২৩ জিলহজ ১৪৪১, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭

অ্যান্টিবডিতে ৪ দিনেই করোনা থেকে মিলবে মুক্তি!

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , রোববার, ১৭ মে ২০২০

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক একটি বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি করোনা প্রতিরোধী একটি অ্যান্টিবডি (প্রতিষেধক) আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে। ‘সোরেন্টো থেরাপিউটিকস’ নামের যুক্তরাষ্ট্রের এ কোম্পানিটির দাবি, তাদের এ অ্যান্টিবডি ‘শতভাগ কার্যকর’ এবং রোগীকে মাত্র ৪ দিনেই করোনামুক্ত করবে। ফক্স নিউজ।

সংবাদভিত্তিক মার্কিন টেলিভিশন ফক্স নিউজ সোরেন্টো থেরাপিউটিকসের বরাতে এ তথ্য জানিয়ে এক প্রতিবেদনে বলেছে, বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি জানিয়েছে, ভ্যাকসিন (প্রতিষেধক টিকা) বাজারে ছাড়ার আগেই এ অ্যান্টিবডির মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু হয়ে যেতে পারে। অ্যান্টিবডিটি মানবদেহে প্রয়োগের (প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের) পর সোরেন্টো পরবর্তী কার্যক্রমে এগোচ্ছে। গত শুক্রবার কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডা. হেনরি জি বলেন, করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আসার আগেই এই অ্যান্টিবডির মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু হয়ে যেতে পারে। এটি এতটাই কার্যকর যে, শরীরে প্রয়োগ করার পর আর সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে না। নির্ভয়ে সবার সঙ্গে মেলামেশা করা যাবে।

এদিকে ফক্স নিউজের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণজনিত রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবডির ব্যবহার শত বছর ধরে চলে আসছে। যদিও এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। সেজন্য মানবদেহে প্রয়োগে সফল অ্যান্টিবডি আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা নতুন চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা।

এমন আশঙ্কা ও সন্দেহ সত্ত্বেও সোরেন্টো কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, করোনাভাইরাসের সফল চিকিৎসার চাবিকাঠি পেয়ে গেছেন তারা। তাদের দাবি, গবেষণার অংশ হিসেবে তারা গত দশকে শত কোটি অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলোর স্ক্রিনিংও করেছেন। এর মধ্যেই ডজনখানেকের মতো এমন অ্যান্টিবডি রয়েছে, যারা কার্যত করোনাভাইরাসকে মানুষের শরীরে গেঁড়ে বসা থেকে ঠেকিয়ে দিতে পারে।

গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের রাজধানী শহর উহান থেকে ছড়ানো প্রাণঘাতী নতুন নভেল করোনাভাইরাস বিশ্বকে ইতোমধ্যেই বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ভুগছে ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্র-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্য সব অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে তিন লাখেরও বেশি মানুষের।