• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮ মহররম ১৪৪২, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭

বিধানসভা নির্বাচন

মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় এগিয়ে বিজেপি

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

image

গত সোমবার অনুষ্ঠিত ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দুই রাজ্য মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গনান হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। শেষ খবর পওয়ার আগ পর্যন্ত দুই রাজ্যেই এগিয়ে রয়েছে মোদির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও শিবসেনা জোট। তবে মহারাষ্ট্রে ১৫৭ আসনে এগিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠাতা অর্জনের পথে থাকলেও ধারনা করা হচ্ছে হরিয়ানায় তা পাবে ক্ষমতাসীন দলটি। এ রাজ্যটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠাতার জন্য ৪৬ টি আসন প্রয়োজন হলেও ৩৯টি আসনে এগিয়ে দলটি। এ রাজ্যে এখন অন্য কোন দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করতে হবে বিজেপিকে।

এদিকে ভারতের প্রধান বিরোধি দল কংগ্রেস ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) জোট মহারাষ্ট্রে ও হরিয়ানায় যথাক্রমে ১০২টি, ৩১টি আসনে এগিয়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানিয় সময় সকাল আটটায় ভোট গণনা শুরু হয় সন্ধায় ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে। রয়টার্স।

গত সোমবার ১৮টি রাজ্যের ৫১টি বিধানসভা আসন এবং দুটি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রগুলোরও ভোট গণনা শুরু হয় বৃহস্পতিবার সকালে। ভোটগ্রহণের পর থেকেই বুথফেরত জরিপে বিজেপির জয়ের আভাস মিলছে। ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই মহারাষ্ট্রের প্রধান শহর। মহারাষ্ট্রে বিজেপির জয়ের অর্থ হল এখানে মনোহর লাল খাট্টারের সরকার আবারও ক্ষমতায় বসতে চলেছে। গত পাঁচ বছরে মহারাষ্ট্রে শিবসেনার সঙ্গে নানা সময়ে বিজেপির মতবিরোধ হলেও এবারের নির্বাচনেও তারা শিবসেনার সঙ্গেই জোট বেঁধে লড়েছে। এ দুটি রাজ্য নির্বাচনে জয় পেলে দেশের ওপর বিজেপির নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে।

২০১৪ সালে যখন দুটি দলের মধ্যে অল্প সময়ের এক বিচ্ছেদ হয় তখন দুই দলের কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সফল হয়নি। শিবসেনা সে সময় রাজ্য ও কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতি বিরুদ্ধে প্রচুর সমালোচনা করে। বিরোধী দল, বিশেষত কংগ্রেসের জন্যে এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কেননা তারা ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই করছে। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবি এবং দলের শীর্ষ পদ থেকে রাহুল গান্ধি সরে যাওয়ার পরে নেতৃত্বের পরবর্তী পরিস্থিতিতে সংকট দেখা দিয়েছে, যদিও আপাতত অস্থায়ীভাবে সামাল দিচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। প্রসঙ্গত, বিজেপি ও তার জোটের এ বিধানসভা আসনগুলোর মধ্যে প্রায় ৩০টি আসন ছিল, আর কংগ্রেসের ছিল ১২টি। বাকিগুলো আঞ্চলিক দলগুলোর।