• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ ১৪৪০

ইবোলার প্রাদুর্ভাব

কঙ্গোতে পাঁচ শতাধিক প্রাণহানি

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

image

কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাস শিশুর মৃত্যুতে মায়ের আহাজারি -আল-জাজিরা

অফ্রিকার পশ্চিম মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্র কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাস ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে গত কয়েক মাসে ৫শ’রও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা কালেঙ্গা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে কঙ্গো সরকারের এক ভ্যাকসিন কর্মসূচির সহায়তায় কয়েক হাজার মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মধ্য আফ্রিকার উত্তরাংশে কঙ্গোর উপত্যকায় প্রবাহিত ইবোলা নদী থেকে ইবোলা ভাইরাসের নামকরণ। সর্বপ্রথম ১৯৭৬ সালে এ ভাইরাসের অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়। ২০১৪-১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণে ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তখন বেশি আক্রান্ত হয়েছিল গিনি, সিয়েরা লিওন এবং লাইবেরিয়া। ২০১৪ সালে কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণে ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত বছরের আগস্ট থেকে কঙ্গোর উত্তর কিভু অঞ্চলে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। শুক্রবার কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তখন থেকে সর্বমোট ৫০২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৭১ জনকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়েছে। কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা কালেঙ্গা বলেছেন, প্রথমবারের মতো ৭৬ হাজার ৪২৫ জন মানুষকে ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু ঠেকানো গেছে। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, অঞ্চলের বড় বড় শহরগুলোতে আমরা ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে পেরেছি।’ ১৯৭৬ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর এই নিয়ে দশমবারের মতো কঙ্গোয় ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ঘটল। বানর এবং বাদুড়ের মতো বন্য প্রাণী থেকে প্রথম এ ভাইরাস মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। দেহ থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন ধরনের রসের (রক্ত, লালা) মাধ্যমে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।