• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৫, ২২ শাওয়াল ১৪৪০

৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮

১। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন, বলা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত করে ইউনেস্কো জাতির জনককে সম্মানিত করেছে। আমি বলবো ঐতিহাসিক এই ভাষণ অন্তর্ভুক্ত করে বরং ইউনেস্কো সম্মানিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি আমার ছাত্রদের দেশকে ভালোবাসতে বলি। আর দেশকে ভালোবাসতে হলে দেশের ইতিহাসকে জানতে হবে। আর ইতিহাস জানতে হলে সবার আগে ৭ মার্চের ভাষণ শুনতে হবে। বুকের মধ্যে ৭ মার্চের ভাষণকে অনুভব করতে হবে। যে এই ভাষণ উপলব্ধি করতে পারে না, সে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক হতে পারবে না।

‘কী করে আমার মায়ের বুক খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন’ ইয়াহিয়া খানের উদ্দেশে করা এই বাক্য বিশ্লেষণ করে মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাচনভঙ্গি ছিল খুবই সহজ-সরল এবং মর্মস্পর্শী। সম্ভবত এ কারণেই তিনি দেশের সাধারণ মানুষের কাছে এত সহজে পৌঁছতে পেরেছিলেন। মানুষকে হত্যা করার বিষয়টি কত না ভিন্ন উপায়ে বলা সম্ভব। বঙ্গবন্ধু সেটিকে বলেছেন ‘মায়ের কোল খালি করা’ এবং সম্ভবত এই বাক্য চয়নের জন্যেই কথাগুলো মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করে।

২। অ্যামেরিটাস শিক্ষক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, জাতির উদ্দেশে যে ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, তা প্রতিটি মানুষকে জাগ্রত করেছিল ১৯৭১ সালে। অনানুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা আমরা সেই সময় বুঝে নিয়েছিলাম কি করতে হবে আমাদের। কী অসাধারণ ভাষণ! সর্বশরীর রোমাঞ্চিত হয়। বঙ্গবন্ধু যখন বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’, তখনই মনে হলো, পৃথিবীর বুকে একটি নতুন জাতির জন্ম হলো .. ..।’ (আমার একাত্তর, আনিসুজ্জামান, সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা, ১৯৯৭)

‘তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে ভাষণের এই বাক্য নিয়ে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এখানে কোটি কোটি নিরস্ত্র সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছে চূড়ান্ত সংগ্রামে অংশগ্রহণের। সেখানে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িই হয়ে উঠবে দুর্গ। এ কথা অজানা নয় যে, মানুষের ঘরে ঘরে অস্ত্র থাকে না। তাই যা কিছু আছে তাই নিয়ে মোকাবিলার আদেশ। শত্রু তো চিহ্নিত হয়েই আছে, লক্ষ্যও নির্ধারিত। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে দরকার সংগ্রামের। সাহসিকতার সঙ্গে অবতীর্ণ হতে হবে সে সংগ্রামে। সবাই যদি এগিয়ে আসে শত্রুকে পরাস্ত করতে, তাহলে বিজয় লাভ অবশ্যম্ভাবী। ঘর যদি অভেদ্য দুর্গ হয়ে না ওঠে, মানুষের ঐক্য যেন দুর্ভেদ্য হয়।’

৩। সমাজবিজ্ঞানী সরদার ফজলুল করিম বলেন, ‘শেখ মুজিবের ভাষণ যেমন লিখিত হতো না, তেমনি তার প্রদত্ত ভাষণকে লেখা যেত না। কোন ব্যক্তি শূন্য থেকে এসে বলতে পারে না, আমি তোমাদের নেতা এবং তার বলা মাত্র অন্য সবাই যথার্থভাবে অন্তর দিয়ে বলতে পারে না, হ্যাঁ আপনি আমাদের নেতা, একজন জবর নেতৃত্ব দখল কেবল অস্ত্রধারীর পক্ষেই সম্ভব। নিরস্ত্র সংগ্রামীর পক্ষে নয়।’

৪। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নিরবচ্ছিন্ন সাধনার ফলই হচ্ছে ৭ মার্চের বক্তব্য। যে বক্তব্য শুনে রেসকোর্স ময়দানে শুধু ১০ লাখ মানুষ নয় সারা বাংলার মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত হয়েছিল। তার জয় বাংলা সেøাগানেই সেই সময় শক্রর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি।

৫। প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবিএম মূসা লিখেছেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি চরণ নিয়ে একটি আলাদা প্রবন্ধ লেখা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘৭ মার্চের আগেই আমরা স্বাধীন হয়ে গিয়েছিলাম, যখন থেকে ঘরে ঘরে স্বাধীন বাংলার সবুজ-লালের মধ্যে মানচিত্র আঁকা পতাকা উড়ছিল, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যখন সরকার চলছিল, অফিস-আদালত ও ব্যবসা, কল-কারখানায় কাজ চলছিল।’

৬। বাংলাদেশের জনপ্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণ তার কবিতায় বলেছেন, ‘কে রোধে তাহার বজ্রকণ্ঠবাণী? গণসূর্যে মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তার অমর- কবিতাখানী।’

৭। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে যখন ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, তখন দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সাংবাদিকতা করতেন গোলাম সারওয়ার। সে সময়কার স্মৃতি স্মরণ করে সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে কোন তৎসম শব্দ ব্যবহার করেননি। তিনি সহজ সরল বাংলা ব্যবহার করেছেন।

৮। লেখক জন রীড তার বিশ্বখ্যাত ‘টেন ডেজ দ্যাট শুক দ্য ওয়ার্ল্ড’ বইয়ে বলেছেন যে কয়েকটি দিনে রাশিয়ায় লেলিনের নেতৃত্বে অক্টোবর বিপ্লবের মধ্যদিয়ে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার চাইতে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না বাঙালির কাছে ওই ১৮ দিন। তাই বঙ্গবন্ধুর নিন্দুকেরাও বলবেন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ কোন সাধারণ ঘটনা ছিল না। ১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণে পূর্ব পাকিস্তানের একটি রাষ্ট্রের নিপীড়িত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত জনগণের চিত্র ফুটে উঠেছে। সমগ্র বিশ্বে এই ভাষণ প্রশংসিত হয়েছে।

৯। ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যে কলকাতার অধুনালুপ্ত দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার এককালের সম্পাদক বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় দেখেছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং উপমহাদেশের দুটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ধারার দর্শনের প্রভাব, অর্থাৎ গান্ধীজির নিরস্ত্র নৈতিক যুদ্ধের আহ্বান এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সশস্ত্র সংগ্রামের রাজনৈতিক দর্শন। এছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধের পরবর্তী ধাপেরও নির্দেশ রয়েছে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণে। উপরন্তু ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বাক্যটি সারা দুনিয়ার নির্যাতিত মানুষের কাছে মুক্তিমন্ত্রতুল্য। খ্যাতিমান ওই গবেষকের মন্তব্য, বাঙালির মুক্তির সনদ ছিল ভাষণটি। ওই দিনই রাষ্ট্রের ভিত্তি তৈরি হয়ে যায়। পাকিস্তানকে বাঙালিরা প্রত্যাখ্যান করে।

১০। সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছেন, ‘৭ মার্চের ভাষণ আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল দলিল।’

১১। কিউবার মহান বিপ্লবের অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো বলেছেন, ‘৭ মার্চের শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ শুধুমাত্র ভাষণ নয়, এটি একটি অনন্য রণকৌশলের দলিল।’

১২। যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট যোশেফ মার্শাল টিটো বলেছেন, ‘৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, এই ভাষণের মাধ্যমে শেখ মুজিব প্রমাণ করেছেন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানিদের কোন রকম বৈধতা নেই। পূর্ব পাকিস্তান আসলে বাংলাদেশ।’

১৩। গ্রেট ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হীথ বলেছেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে যতদিন পরাধীনতা থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম থাকবে, ততদিন শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি মুক্তিকামী মানুষের মনে চির জাগরুক থাকবে। এ ভাষণ শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়, সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের অনুপ্রেরণা।’

১৪। ১৯৭৪ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী শন ভ্যাকব্রাইড বলেছেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, কেবল ভৌগোলিক স্বাধীনতাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন মানুষের মুক্তি ও বেঁচে থাকার স্বাধীনতা। সাম্য ও সম্পদের বৈষম্য দূর করাই স্বাধীনতার সমার্থক। আর এ সত্যের প্রকাশ ঘটে ৭ মার্চের ভাষণে।’

১৫। পশ্চিমবঙ্গের প্রয়াত সিপিএম নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বলেছেন, ‘৭ মার্চের ভাষণ একটি অনন্য দলিল। এতে একদিকে আছে মুক্তির প্রেরণা। অন্যদিকে আছে স্বাধীনতার পরবর্তী কর্ম-পরিকল্পনা।’

১৬। পাকিস্তানি সামরিক চিন্তাবিদ জেনারেল কামাল মতিনউদ্দীন তার ‘দ্য ট্র্যাজেডি অফ এরর’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘যেকোন দিক থেকেই ৭ মার্চ ছিল মুজিবের দিন। তার কণ্ঠে ছিল প্রচন্ড আবেগ। পুরো পরিস্থিতি ছিল তার নিয়ন্ত্রণে। তার কণ্ঠের দৃঢ়তায় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। তার পুরো বক্তব্যে এতটাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল, মনে হয় সেদিন গাছ-পাথরও আন্দোলিত হয়েছিল। জনগণের প্রাণচাঞ্চল্য ছিল উদ্দীপনাময়।’ (পৃষ্ঠা ১৯০)। এরপর তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ১৯৭১-এর ৭ মার্চেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়।’

১৭। রেসকোর্স ময়দানের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের পরপরই ঢাকার মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাড লিখেছেন, ‘রোববার ৭ মার্চ প্রদত্ত মুজিবের ভাষণে তিনি যা বলেছিলেন, তার চেয়ে লক্ষণীয় হলো তিনি কি বলেননি। কেউ কেউ আশঙ্কা করছিলেন, আবার কেউ কেউ আশা করেছিলেন যে, তিনি বাংলাদেশকে সরাসরি স্বাধীন ঘোষণা করবেন। এর বদলে বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান তিনি জানালেন।’ আর্চার ব্লাড ঢাকায় অবস্থান করে পরিস্থিতির গুরুত্ব ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মর্মার্থ ও তাৎপর্য গভীরভাবে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন।

১৮। অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন বলেছেন, ‘তিনি ছিলেন মানব জাতির পথপ্রদর্শক। তার সাবলীল চিন্তাধারার সঠিক মূল্য শুধু বাংলাদেশ নয়, সমস্ত পৃথিবীও স্বীকার করবে।’

বিদেশি গণমাধ্যমে ৭ মার্চের ভাষণ

১। নিউজ উইক, পত্রিকার নিবন্ধ ‘দ্য পয়েট অফ পলিটিক্স’ এ বলা হয়েছে, ৭ মার্চের ভাষণ কেবল একটি ভাষণ নয়, একটি অনন্য কবিতা। এই কবিতার মাধ্যমে তিনি ‘রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি পান।’

২। ১৯৭১ সালে দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক ভাষ্যে বলা হয়, ‘শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণই হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার মৌলিক ঘোষণা। পরবর্তীতে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে ওই ভাষণেরই আলোকে।’

৩। বিবিসি-১৯৭১ এই মন্তব্য করেছে, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে জন আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণের সঙ্গে তুলণীয় এই ভাষণটি। যেখানে তিনি একাধারে বিপ্লবী ও রাষ্ট্রনায়ক।’

৪। রয়টার্সের বিশ্বখ্যাত প্রতিনিধি ১৯৭১ এ মন্তব্য করেছেন- ‘বিশ্বের ইতিহাসে এ রকম আর একটি পরিকল্পিত এবং বিন্যস্ত ভাষণ খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে একই সঙ্গে বিপ্লবের রূপরেখা দেয়া হয়েছে এবং সঙ্গে সঙ্গে দেশ পরিচালনার দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।’

৫। ১৯৭১ সালেই এএফপি বলেছে, ‘৭ মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে শেখ মুজিব আসলে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি বাঙালিদের যুদ্ধের নির্দেশনাও দিয়ে যান। ওই দিনই আসলে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।’

৬। ১৯৭২ সালে আনন্দবাজার পত্রিকার এক নিবন্ধে বলা হয়, ‘উত্তাল জনস্রোতের মাঝে, এ রকম একটি ভারসাম্যপূর্ণ, দিকনির্দেশনামূলক ভাষণই শেখ মুজিবকে অনন্য এক ভাবমূর্তি দিয়েছে। দিয়েছে অনন্য মহান নেতার মর্যাদা।’

৭। ১৯৯৭ সালে টাইম ম্যাগাজিনে বলা হয়েছে, ‘শেখ মুজিব ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমেই আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। ওই ভাষণে গেরিলা যুদ্ধের কৌশলও ছিল।’