• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ৭ ফল্গুন ১৪২৬, ২৫ জমাদিউল সানি ১৪৪১

সুন্দরবন দিবসে পরিবেশবাদীদের নাগরিক সমাবেশ ও র‌্যালি

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে গতকাল পরিবেশবাদী যুব সংগঠন ‘গ্রিন ভয়েস’ রাজধানীতে মানববন্ধন করে -সংবাদ

সুন্দরবনে উজানের মিঠা পানির প্রবাহ হ্রাস, রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ক্ষতিকর সব প্রকল্প ও বিষ দিয়ে মৎস্য নিধনের প্রতিবাদে এক নাগরিক সমাবেশ ও র‌্যালি করেছে কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন। গতকাল রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে সুন্দরবন দিবস-২০২০ পালন উপলক্ষে এই কর্মসূচি আয়োজন করে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও গ্রিন ভয়েস।

বাপা’র নির্বাহী সহসভাপতি ও সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে এবং বাপা যুগ্ম সম্পাদক ও গ্রিন ভয়েসের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আলমগীর কবিরের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বাপা’র সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, হুমায়ন কবির সুমন, নির্বাহী সদস্য রুহীন হোসেন প্রিন্স, ইবনুল সাঈদ রানা, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস্ মুভমেন্টের নির্বাহী প্রধান এডভোকেট মোজাহেদুল ইসলাম মুজাহিদ, বাপা জীবন সদস্য রেজাউল করিম, গ্রিন ভয়েস মহানগরের সমন্বয়ক আবদুস সাত্তার, গ্রিন ভয়েস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইসরাতসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বেশকিছু দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো- উজানের বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সফল আলোচনার মাধ্যমে সুন্দরবনের জন্য মিঠা পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা; রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ বাতিল করা; সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী বা অভ্যন্তরের নির্মাণাধীন ও পরিকল্পিত সরকারি-বেসরকারি সব প্রকল্প ও স্থাপনা নির্মাণ অবিলম্বে বন্ধ, বাতিল ও অপসারণ করা; বনের পাশ ঘেঁষে বরাদ্দকৃত সব শিল্প ও আবাসন প্লট বাতিল করা; অপরিকল্পিত গাছকাটা, পশু-পাখী হত্যা ও মাছ ধরা অবিলম্বে বন্ধ করা; বনের গাছে অগ্নি সংযোগ এবং বিষ প্রয়োগে জলজ প্রাণী ও মাছ হত্যা কঠোর হস্তে দমন করা; সুন্দরবনের মধ্যকার নৌচলাচল হ্রাস, নৌ-দুর্ঘটনা প্রশমণ, নদীর তলায় ডুবে থাকা নৌযান অপসারণ করা; সুন্দরবনে পর্যটক সংখ্যা সীমিত করা; জলাধার দূষণ ও চিংড়ি চাষ বন্ধ করা ও সব পোল্ডার অপসারণ করা; সুন্দরবন-নির্ভর দরিদ্র ও ভাসমান জনগোষ্ঠীর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় ভিন্ন প্রকৃতির জীবিকার ব্যবস্থাকরা; বন বিভাগের জনবল বৃদ্ধি ও তাদের কাজের পরিধি, একাগ্রতা, সক্ষমতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।