• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

র‌্যাগিং বন্ধের ব্যবস্থা হলে আবরার হত্যার মতো ঘটনা ঘটত না -বিচারপতি আরিফ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯

র‌্যাগিং বন্ধের আগে ব্যাবস্থা গ্রহণ করলে আবরার হত্যার মতো ঘটনা ঘটত না বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। এ সময় কর্মক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার হন বলেও জানান তিনি।

গতকাল সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি ও ল’রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ফাওজিয়া করিম ফিরোজ, পরিচালক অ্যাডভোকেট তৌহিদা খন্দকার, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জোবায়দা পারভিন, এলআরএফের সভাপতি ওয়াকিল আহমেদ

হিরন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রাজু, সাবেক সভাপতি এম. বদিউজ্জামান ও অ্যাডভোকেট নাহিদা আনজুম কণা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেখ হাসান বলেন, শিক্ষক সমিতি আজ আবরার হত্যার ঘটনা নিয়ে মিছিল করেছে। আজ কেন তারা মিছিল করছে? র‌্যাগিং বন্ধে আগে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি ব্যবস্থা গ্রহণ করত তা হলে আবরার হত্যার মতো ঘটনা ঘটত না।

বিচারপতি বলেন, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। তাদের অধিকার নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনের বিষয়টি আগে নিজেদের ঘর থেকেই শুরু করতে হবে। নিজের ঘর থেকে শুরু হলে অন্যরাও এগিয়ে আসবে। নারীদের মুখ খুলতে হবে। তারা মুখ খুলতে শুরু করলে যৌন হয়রানি অনেকটাই কমে আসবে বলে।

তিনি বলেন, নারীদের প্রতি এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাকানো হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গির কারণে যৌন হয়রানির মনোভব সৃষ্টি হয়। তাই এ দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। আর অনেক সময় ভিকটিম নিজে হয়রানির কথা বলতে চায় না। এমনকি তার কোন সহকর্মী বলতে চাইলেও নিরাপত্তার অভাবে সাহস দেখায় না। অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে গণমাধ্যম দায়িত্ব পালন করে থাকে। তা সত্ত্বেও গণমাধ্যমের প্রসার যেভাবে হয়েছে তাতে বিষয়টিতে (যৌন হয়রানি রোধ) সচেতনতা সৃষ্টিতে এ মাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম।

ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি কার্যকর এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায়, তাহলে যৌন হয়রানি রোধ হবে।