• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ১৮ শাবান ১৪৪০

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ আশ্রয় না দিলে গণহত্যা হতো : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর অন্যতম গণহত্যাকান্ড হয়েছে রাখাইনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিলে বিশ্ব নেতারা এই হত্যাকান্ডের জন্য মুখ দেখাতে পারতেন না বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। গতকাল হোটেল কন্টিনেন্টালে এক সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রোহিঙ্গা পুনর্বাসন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে উগ্রপন্থার সৃষ্টি হতে পারে বলেও উদ্বেগ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। হোটেল কন্টিনেন্টালে ‘বাংলাদেশ ও মানবাধিকার’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকার জাতিসংঘ অফিস। সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে সেফজোন তৈরি করতে হবে। আমরা এটা নিয়ে নতুন করে কাজ করছি। সেফজোনে ভারত, চীনসহ আশিয়ান দেশের সদস্যরা সহযোগিতা দিতে পারে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিলে সেখানে গণহত্যা হতো। আর সেটা হলে বিশ্বনেতারা মুখ দেখাতে পারতেন না।

মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে রোল মডেল উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিলে সেখানে গণহত্যা হতো। আর সেটা হলে বিশ্বনেতারা মুখ দেখাতে পারতেন না। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। বাংলাদেশ সন্ত্রাস মোকাবিলায় সফল উল্লেখ করে তিনি বলেন; আমরা সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি। কিন্তু এখনও পুনর্বাসনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে উগ্রপন্থার সৃষ্টি হতে পারে।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হত্যাকান্ড হয়েছে রাখাইনে। ইউএনের হাইকমিশনার নিজেই বলেছেন, দিস ইজ ক্লাসিক এক্সাম্পল অফ ক্লিনিং, এথনিক ক্লিনিং-এর জন্যেই আমি বলছি, মানবাধিকার যদি ধরে রাখতে চান তাহলে তাদের স্বস্থানে-স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে হবে।