• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০

রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

৫ দশমিক ৩ মাত্রা, কেঁপেছে ভবনগুলো

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

image

রাজধানীর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভারতের আসাম সীমান্ত এলাকায় উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্প গতকাল বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। ভূমিকম্পে রাজধানীর ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। ফলে জনজীবনে আতঙ্ক তৈরি হয়। আতঙ্কিত হয়ে অনেকে রাস্তায় নেমে আসে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ দফতর (ইউএসজিএস) এবং ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলোজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৩।

আবহাওয়া অধিদফতরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম ইসলাম বলেন, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ২৯৩ কিলোমিটার এবং রংপুর থেকে ১১৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে আসামের সপ্তগ্রামের কাছাকাছি এলাকায়, ভূপৃষ্ঠের ৯ কিলোমিটার গভীরে। রাজধানী ছাড়াও দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের অধিকাংশ জেলা, সিলেট, চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট মায়ানমারে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার এবং ১৩ এপ্রিল ৬ দশমিক ৯ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে পুরো বাংলাদেশ কেঁপে ওঠে। কয়েকটি ভবন হেলে পড়ে, হুড়োহুড়িতে আহত হয় বহু মানুষ। ওই বছর ৪ জানুয়ারি ভারতের মনিপুর অঞ্চলে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা, জামালপুর, রাজশাহী, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটে হুড়োহুড়ির মধ্যে আতঙ্কে মৃত্যু হয় পাঁচজনের। বেশ কিছু ঘরবাড়িতে ফাটল দেখা যায়। তার আগে ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল নেপালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে আট হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়; ক্ষয়ক্ষতি হয় ভারত ও বাংলাদেশেও।

রিখটার স্কেলে ৪ থেকে ৪ দশমিক ৯৯ মাত্রাকে মৃদুু ভূম্পিকম্প হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া ৫ থেকে ৫ দশমিক ৯৯ মাত্রাকে মাঝারি, ৬ থেকে ৬ দশমিক ৯৯ মাত্রাকে শক্তিশালী, ৭ থেকে ৭ দশমিক ৯৯ মাত্রাকে ভয়াবহ এবং মাত্রা ৮ এর বেশি হলে অত্যন্ত ভয়াবহ ভূমিকম্প বিবেচনা করা হয়।