• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০

রাগীব রাবেয়া মেডিকেলের ১৩ শিক্ষার্থী ছিলেন বিধ্বস্ত বিমানে

সংবাদ :
  • আকাশ চৌধুরী

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলার বিমানে যাত্রী ছিলেন সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৩ শিক্ষার্থী। তারা সকলেই নেপালি বংশোদ্ভূত এবং তাদের সকলেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজে ৩ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯তম ব্যাচের এই শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত প্রুফ দিয়ে ছুটিতে নিজেদের দেশে বেড়াতে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় গোটা মেডিকেলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ফলে নেপালি কোন শিক্ষার্থীই গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে চাননি।

জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আবেদ হোসেন বলেন, ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ায় তাদের আর কোন লেখাপড়া না থাকায় ওই ১৩ শিক্ষার্থী নিজ দেশে যাওয়ার জন্য ছুটি নেন। তাদের গত রোববার মেডিকেলেরই একটি গাড়ি ঢাকায় আসার জন্য কদমতলী স্ট্যান্ডে গিয়ে বাসে উঠিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশের জন্য দুই মাসের মতো সময় লাগে। এই সময়ে সকলেই নিজেদের বাড়িতে চলে যায়। নেপালের শিক্ষার্থীরাও তাদের দেশে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জন ছাত্রী ও দুজন ছাত্র ছিলেন।

এরা হলেন- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুর- বারাল, শামিরা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিঞ্চি ধনি।

এদিকে, ঘটনার পর গতকাল সন্ধ্যায় রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবাই মর্মাহত। এ মেডিকেলে অন্তত ২৫০ জন নেপালি শিক্ষার্থী রয়েছেন। তারা কেউই গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি।

প্রসঙ্গত, গতকাল দেশটির নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমান বিধ্বস্তের এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির গণমাধ্যম।