• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৭ জিলহজ ১৪৪১, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

যেখানে-সেখানে থুথু ফেলা বা লালা দিয়ে টাকা গোনা নয়

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ১৫ মার্চ ২০২০

মুখের লালার মাধ্যমে করোনাভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায়। সেক্ষেত্রে যেখানে-সেখানে কফ, থুথু ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি মুখের লালা দিয়ে টাকা গোনা থেকেও বিরত থাকা প্রয়োজন।

গতকাল বিকেলে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে গ্লোবাল ডেন্টাল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে (জিডিএফ) ‘কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস অ্যান্ড ডেনটেস্ট্রি- বাংলাদেশ পার্সপেক্টিক’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

জিডিএফের সভাপতি পরিমল চন্দ্র মল্লিকের সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মুজিবুর রহমান হাওলাদার। বিশেষজ্ঞ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্দার্ন মেডিকেল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর বুশরা তানজিম। আরও বক্তব্য রাখেন জিডিএফের সাধারণ সম্পাদক ডা. একেএম কবির আহমেদ রিয়াজ, বায়োফার্মা লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক ডা. মো. লোকিয়েত উল্লাহ প্রমুখ।

মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, আমাদের মুখগহ্বরে ৭৪০টির অধিক জিবানো থাকে। মুখগহ্বর পরিষ্কার রাখার কোন বিকল্প নেই। আর আমরা করোনাভাইরাসের যে আতঙ্ক দেখছি বিশ্বব্যাপী তা মুখের লালার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ছড়ায়।

তিনি বলেন, রক্ত দিয়ে অনেক রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় কিন্তু মুখের লালা দিয়েও এর বিকল্প হিসেবে পরীক্ষা সম্ভব। হাওলাদার বলেন, আমরা অনেকেই টাকা গোনা, বইয়ের পাতা উল্টানোসহ অনেক কাজ মুখের লালা দিয়ে করি এটা পরিহার করতে হবে। কেননা এর মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে।

ডা. বুশরা বলেন, ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। এটি বাদুড়, উট, খাটাশ ও গরুর মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এটির সঙ্গে ৭৯ দশমিক ৭ ভাইরাসের মিল রয়েছে। তবে এটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কেননা এতে আক্রান্ত ৯৪ শতাংশ রোগীই ভালো হয়ে যায়। মাত্র ৬ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয়। তারপরও আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

তিনি বলেন, এ রোগের ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি শুধু সচেতনতায় পারে তা থেকে প্রতিরোধ করতে।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বের মডেল। আমরা কোন কাজেই হতাশ হয়ে পড়ি না, তাই করোনাভাইরাসের আতঙ্ক না ছড়িয়ে সচেতনভাবে চলাচল করব।