• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৮ রবিউস সানি ১৪৪১

মানবিক কারণে ফেনী নদীর সামান্য পানি ত্রিপুরাকে দেয়া হচ্ছে

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

মানবিকতা ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে পুরনো সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতের ত্রিপুরায় পান করার জন্য ফেনী নদী থেকে সামান্য পানি সরবরাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত শনিবার ভারতের নয়াদিল্লিতে ঢাকা-নয়াদিল্লির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। দু’দেশের মধ্যে চারটি এমওইউ সই হয়। এরমধ্যে ফেনী নদী থেকে ত্রিপুরায় সাবরুম শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে পানি সরবরাহের বিষয়টি স্বাক্ষরিত হয়। পানির পরিমাণ ১ দশমিক ৮২ কিউসেক, যেখানে ১ কিউসেক সমান ২৮ দশমিক ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকায় ‘ডিসকাশন অব ওয়াটার রিসোর্স’ শিরোনামে বাংলাদেশ ও ভারত দু’দেশের সেক্রেটারি লেভেল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এ মিটিংয়ের গৃহীত সিদ্ধান্তপত্রের ৯নং আর্টিকেলে বলা হয়, টেকনিক্যাল লেভেল মিটিংয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে ফেনী নদীর ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি পানের জন্য দেয়া যেতে পারে মর্মে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই বছর দিল্লিতে মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকেও সম্মতি আসে। পরে ২০১২ সালে সম্পাদিত টেকনিক্যাল লেভেলের মিটিংয়ে বিভিন্ন দিক বিস্তারিত পর্যালোচনার পর কিছু শর্তসাপেক্ষে পানি দেয়া যেতে পারে বলে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

পাম্পের সক্ষমতা ও অবস্থান, সরবরাহের জন্য একক পাইপ, নদী তীর ভাঙনসংক্রান্ত বিষয়সহ একাধিক শর্তাবলীর অধীনে এটি অনুমোদিত হয়। শুকনা মৌসুমে ফেনী নদীর পানির গড় পরিমাণ ৭৯৪ কিউসেক এবং বার্ষিক পানির গড় পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৮৭৮ কিউসেক। তাহলে দেখা যায় যে, ফেনী নদীর ১ দশমিক ৮২ কিউসেক করে পানি প্রত্যাহার শুষ্ক মৌসুমের গড় পানি প্রবাহের শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ। আগামী যৌথ কমিশনের বৈঠক মন্ত্রীপর্যায়ে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।