• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ১ কার্তিক ১৪২৫, ৫ সফর ১৪৪০

প্রেস কাউন্সিল পদক পাচ্ছে সংবাদ ও ৫ জন

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

image

সাংবাদিকতায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় প্রথমবারের মতো দৈনিক সংবাদ ও ৫ জনকে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল পদক-২০১৮ প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই পদক প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন মহান একুশে ফেব্রুয়ারি গানের রচয়িতা প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী, প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা পেয়েছে দৈনিক সংবাদ, উন্নয়ন সাংবাদিকতায় দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার রাজন ভট্টাচার্য, গ্রামীণ সাংবাদিকতায় দৈনিক সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব নূর, নারী সাংবাদিকতায় দৈনিক বরিশাল সময়ের চিফ রিপোর্টার মর্জিনা বেগম এবং আলোকচিত্র সাংবাদিকতায় দৈনিক আমাদের সময়ের নিজস্ব ফটোসাংবাদিক আল-আমিন লিয়ন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই পদক প্রদান করবেন।

গতকাল বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে রাজধানীর তোপখানা রোডে প্রেস কাউন্সিল হলে আয়োজিত সভায় কাউন্সিলের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু মনোনীতদের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে আনন্দঘন মনোরম পরিবেশে কেক কেটে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দিবস উদযাপন করা হয়। প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বক্তব্য দেন। প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন।

সভায় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বিচারের পর অপরাধীর প্রতি সংবেদনশীলতা বা সহানুভূতি তৈরি কিংবা তাকে বীর বা মহান বানানো গণমাধ্যমের কাজ নয়। তিনি বলেন, বিচারের আগে গণমাধ্যমে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা বা মিডিয়া ট্রায়াল যেমন ঠিক নয়, তেমনি বিচারে দ-প্রাপ্ত অপরাধীদের প্রতি সহানুভূতি তৈরিও গণমাধ্যমের কাজ নয়। গণমাধ্যমকে অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে যাতে তাদের স্থান রাজনীতি ও ক্ষমতার বাইরেই হয়।

১৯৭৪ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল গঠন করেছিলেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তর সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সামরিক-সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশে যে বিচারহীনতা ও মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজাকারকে একপাল্লয় মাপার অপসংস্কৃতি গড়ে তুলেছিল, শেখ হাসিনার সরকার তা থেকে রেরিয়ে এসে যুদ্ধাপরাধী, বঙ্গবন্ধুর খুনি, জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজদের বিচারের কাঠগড়া দাঁড় করাচ্ছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, প্রেস কাউন্সিল, চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনসহ তথ্য, গণমাধ্যম এবং দেশের সকল উন্নয়নের পথনির্দেশক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমরা তার অসমাপ্ত কাজকে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। গণমাধ্যমকে এ অগ্রযাত্রায় সঙ্গী হতে হবে। তারানা হালিম বলেন, এই সরকারের মেয়াদকালের মধ্যেই প্রেস কাউন্সিলের জন্য কমপক্ষে ২টি ফ্লোর নিশ্চিত এবং সংবাদকর্মীদের সমস্যা সমাধানে কাজ করছি।