• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৫, ২৩ জিলহজ ১৪৪০

পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার

সংবাদ :
  • জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার

| ঢাকা , শনিবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৯

image

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল -সংবাদ

দেশি-বিদেশি পর্যটকে এখন মুখরিত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার। পর্যটন মৌসুমে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে উপভোগে আগ্রহী মানুষের পদচারণায় সেখানকার হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজ ও রিসোর্টগুলো প্রতিদিনই মোটামুটি থাকছে বুকড। ফলে আগের ন্যায় পর্যটন ব্যবসায় ফিরছে চাঙ্গাভাব।

অন্যদিকে ১০ জানুয়ারি বর্ণিল আয়োজনে উদ্বোধন হয়েছে কক্সবাজার শিল্প ও বাণিজ্য। এতে আরও একধাপ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে মেতেছেন আগত ভ্রমণপিপাসুরা। গত এক সপ্তাহ ধরে হাল্কা শীত পড়ার পরপরই পর্যটননগরী কক্সবাজারে বাড়ছে প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকের আনাগোনা। শীত মৌসুমে সাগরের নীল জলরাশিতে উচ্ছ্বাস আর আনন্দে মেতেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। আর তাদের উল্লাসে এখন মুখরিত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক শাহীন চৌধুরী সংবাদকে জানান, কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষণ সমুদ্র সৈকত। সকালে-বিকেলে সমুদ্র তীরে বেড়াতে মন চায়। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত মানেই এই দুর্নিবার রহস্য-রোমাঞ্চের হাতছানি। মনে শুধু হয় উড়ুে উড়ু ভাব। কখনো সমুদ্র সৈকতে, আবার কখনো বা কস্তুরিঘাটে। বিশ্বসেরা এই সোনালি সৈকতে স্বপ্নের মতো কাটবে কয়েকদিন।

রাজশাহী থেকে কক্সবাজার এসেছেন ইকবাল। তিনি বলেন, জীবনে প্রথমবার কক্সবাজার এসেছি। তাও আবার সপরিবারে। সাগরের ঢেউ বালুর বুকে আছড়ে পড়ার দৃশ্য সত্যি মনোমুগ্ধকর। বিশাল সমুদ্রের কূলঘেঁষে থাকা বড় বড় পাহাড় দেখে মন চাইছে এই শহরে থেকে যেতে। এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভালো।

গত কয়েকদিনের হিসাব মতে, কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন ঘটেছে প্রতিদিন ৩০ হাজারের বেশি। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশা করছেন ব্যবসায় চাঙ্গাভাব। শীতেও যেভাবে কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটক আসা শুরু করেছে তাতে এবারের পর্যটন মৌসুমটা ভালোই কাটবে বলে মনে করছেন কক্সবাজার হোটেল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসাইন। হোটেল মালিকদের দেয়া তথ্য মতে, প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে ৫০ লাখেরও অধিক দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সমুদ্র শহর কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ছিনতাই, ইভটিজিং, হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধসহ শহরের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব, পুলিশের ৪৫০ সদস্য কাজ করছেন। এছাড়া সমুদ্র সৈকতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুটি মোবাইল টিম রয়েছে।