• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ২১ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

৭ নম্বর বিপদ সংকেত আজ সন্ধ্যায় উপকূলে আঘাত হানতে পারে ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শনিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

image

বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে এসেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আজ সন্ধ্যার পর থেকে রোববার সকালের মধ্যে যেকোন সময় ৫-৭ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস নিয়ে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। বুলবুলের কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৭ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে, যা আরও বাড়তে পারে। ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই গতকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে, বন্ধ রয়েছে নৌচলাচল। এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় খুলনা, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা ও সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সাইক্লোন সেন্টার (আশ্রয়কেন্দ্র) ও স্বেচ্ছাসেবিসহ সার্বিক প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানিয়েছে প্রসাশন।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘণ্টায় এর গতিবেগ হবে ১০০-১২০ কি.মি.। এর প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস হবে। ঘুর্ণিঝড়টি ক্ষণে ক্ষণে দিক পরিবর্তন করছে। তবে উপকূলে আঘাত হানার আগে বাতাসের গতিবেগ কমে যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি আইলার গতিপথ অনুসরণ করছে।

তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০০৯ সালে ভারত ও বাংলাদেশে আঘাত হেনেছিল ঘুর্ণিঝড় আইলা। বুলবুলও একই গতিপথ অনুসরণ করছে। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনাসহ আশেপাশে এলাকা এবং বাংলাদেশের সুন্দরবন হয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। আইলার গতিপথও ছিল একই। এছাড়া নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড়গুলো বেশ শক্তিশালী ও প্রলয়ঙ্করী হয়। ফলে বুলবুলের আঘাতে ফসল ও অবকাঠামোগত স্থাপনায় বেশ ক্ষতি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর তাদের সর্বশেষ বুলেটিনে (রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত) জানায়, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হলো। কক্সবাজারে ৪ নম্বর সংকেত অব্যাহত থাকবে। আবহাওয়া অধিদফতরের উপপরিচালক আয়শা খাতুন জানান, ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমেই উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আজ সন্ধ্যা নাগাদ সুন্দরবন এলাকায় এর প্রভার পড়তে থাকবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় এ ঝড় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। ওই সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

সুদূর প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট উষ্ণম-লীয় ঝড় মাতমো গত অক্টোবরের শেষে ভিয়েতনাম হয়ে স্থলভাগে উঠে আসে। সেই ঘূর্ণিবায়ুর অবশিষ্টাংশই ইন্দোনেশিয়া পেরিয়ে ভারত মহাসাগরে এসে আবার নিম্নচাপে রূপ নেয়। বার বার দিক বদলে নিম্নচাপটি আবার শক্তিশালী হয়ে ওঠে। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এসে বুধবার রাতে তা ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেয়। তখন এর নাম দেয়া হয় বুলবুল।

এদিকে, গতকাল মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় উপকূলীয় সাত জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি আজ সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে এতে ফসল ছাড়া বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা নেই। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় জেলা-উপজেলা পর্যায়ে দেশের ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যথাসময়ে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলা জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় রাখা হয়েছে। সাত জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে লোক সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রস্তুতি রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় ২০০০ প্যাকেট করে শুকনো খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে পাঁচ থেকে সাত ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে। গতি আরও বাড়লেও যে প্রস্তুতি রয়েছে, তাতে ফসল ছাড়া বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা নেই। ৯ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাতের মধ্যে আঘাত হানতে পারে। এজন্যে ঝড়ের ১৪ ঘণ্টা আগে লোকজন সরিয়ে নেয়ার জন্যে বলা হয় যাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেলা উপজেলা সংশ্লিষ্টদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী জরুরি ব্যবস্থা নিতে ৮ থেকে ১৬ নভেম্বর উপকূলের সব জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে থাকতে হবে। বোর্ডের জনসংযোগ পরিদফতরের পরিচালক মুন্সী এনামুল হক বলেন, উপকূলীয় এলাকায় পানি উন্নয়ন বোডের কার্যক্রম সচল রাখতেই এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় আমাদের অনেক বাঁধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এসব বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া যায়, সেজন্য এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপ?রিবহন কর্তৃপ?ক্ষ-বিআইডব্লিউটিএ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার বলেন, অভ্যন্তরীণ নৌ পসব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, :-

শরণখোলা (বাগেরহাট)

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ধেয়ে আসার খবরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ‘সিডর’ বিধ্বস্ত বাগেরহাটের শরণখোলাবাসী। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরের মতো একইভাবে এই ঘূর্ণিঝড়টির সৃষ্টি হওয়ায় মানুষ বেশি আতঙ্কিত। নদতীরবর্তী বেরিবাঁধের বাইরে এবং বাঁধের কাছাকাছি বসবাসকারীরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝর বুলবুল মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদফতর ৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) এক জরুরি আদেশে উপকূলীয় জেলা গুলোর ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাসহ উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন অফিসের সব কর্মকর্তা কর্মচারীকে স্ব-স্ব কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দিলেও শরণখোলার (পি আই ও) এর কার্যালয়টি ছিল ৮ নভেম্বর(শুক্রবার) বিকেল পর্যন্ত তালাবন্ধ।

এদিকে (বৃহস্পতিবার) গভীর রাত থেকে দমকা বাতাস আর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে। শরণখোলাসহ উপকূল জুড়ে সিডরের পূর্ব মুহূর্তের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শুক্রবার সকাল থেকে সিপিপির সেচ্ছাসেবকরা মাইকিং করে সতর্কতামূলক প্রচারণায় নেমেছে।

এদিকে, উপজেলার চারটি ইউনিয়নের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরিসভায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রনজিৎ সরকার শুক্রবার দুপুর ২.৩০ মিনিটের সময় মুঠোফোনে বলেন, বৃহস্পতিবার অফিস শেষে অধিদফতরের চিঠি পেয়েছি। তাই কর্মস্থলে কারও থাকা সম্ভব হয়নি। তবে গতকাল নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জরুরিসভা আহ্বান করা হয়েছে।

বরিশাল :

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বরিশালে জরুরি সভা করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। এছাড়া উপকূলের সর্বত্র মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক করছে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্রের (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকরা। উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে হালকা ও মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরুও হয়েছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তা এবং বেসকারি বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলা প্রশাসক জানান, দুর্যোগকালীন জনগণের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ব?রিশা?ল জেলার ১০ উপজেলায় ২৩২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অবকাঠামো দুর্যোগকালীন সময়ে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

খুলনা :

খুলনায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৪৯টি সাইক্লোন শেল্টার। স্থানীয় মানুষকে সচেতন করতে চারটি উপজেলায় চলছে মাইকিং।

শুক্রবার বিকেল চারটায় খুলনা সার্কিট হাউসে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় খুলনায় ৩৪৯টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও নয়টি উপজেলায় মোট ১৯টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। স্থানীয় মানুষকে সচেতন করার জন্য জেলার দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলায় দুপুর থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

পটুয়াখালী : গতকাল সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী একথা জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ৪০৩টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও উপকূলীয় এলাকার স্কুল, কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখার নির্দেনা দেয়া হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৬৬ বান্ডিল টিন, ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ১০০ মেট্রিক টন চাল, ৩ হাজার ৫০০ কম্বল প্রস্তুত রয়েছে। জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হেমায়েত উদ্দিন জানান, দুর্যোগকালীন সময় জেলার ৮টি উপজেলার ৭৪টি ইউনিয়নে জনগণের জানমাল রক্ষায় করণীয় বিষয়ে প্রস্তুতি সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. আবদুল মোনায়েম সাদ জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জেলার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি কন্ট্রোল রুম গঠন করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অ্যাম্বুলেন্সগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফিরোজ আহমেদ জানান, দুর্যোগের আগাম প্রচার প্রচারণা এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য তারা সবাই প্রস্তুত রয়েছেন।

কক্সবাজার : কক্সবাজার থেকে ৬৪৫ কিলোমিটার দূরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখানো হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুল কক্সবাজার উপকূল থেকে ৬৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এটি বাংলাদেশের উপকূলে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানতে পারে। ৮ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. আবদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বন্দরে এখনও চার নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত জারি রয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সব নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।