• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ১২ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

ধর্ষণবিরোধী লংমার্চে দু’দফা হামলার অভিযোগ

অর্ধশত আহত, গাড়ি ভাঙচুর সংসদ সদস্যের পোস্টারে ধর্ষকের আশ্রয়দাতা লেখায় এই ঘটনা : পুলিশ

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, প্রতিনিধি, ফেনী

| ঢাকা , রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

image

গতকাল ফেনীতে ধর্ষণবিরোধী লংমার্চে হামলায় আহত একজনকে হাসপাতালে নেয়া হয় -সংবাদ

দেশে নারীর প্রতি নিপীড়ন- ধর্ষণ ও হত্যাসহ সহিংসতা বন্ধে ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবির পক্ষে জনমত গঠনে বাম ঘরোনার বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ঢাকা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত লংমার্চে ফেনীতে দু’দফা হামলা করা হয়েছে। ফেনী শহরের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এবং দাগনভূঞার জিরো পয়েন্টে হামলায় বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। ভাঙচুর করা হয় লংমার্চের কয়েকটি গাড়ি। পুলিশের উপস্থিতিতে গতকাল জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে যুবলীগ ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ছাত্রলীগ সংবাদ সম্মেলন করে হামলার কথা অস্বীকার করেছে। এদিকে লংমার্চে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ফেনীতে লংমার্চে হামলার ঘটনায় পরিদর্শনে এসেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আসেন এরপর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ফেনীর পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুন্নবী চৌধুরী টেলিফোনে সংবাদকে জানান, গতকাল তারা শান্তিপূর্ণভাবেই ফেনীতে সমাবেশ করেছে। কিন্তু সমাবেশের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পোস্টারের উপর স্প্রে দিয়ে ধর্ষকের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা লিখতে শুরু করে। পুলিশ প্রথমে বিষয়টি বাধা দিয়েছিল। তারা কথা শোনেনি। এসব ভিডিও করে রাখা হয়েছে। এরপর এসব দেখে স্থানীয় এমপির অনুসারীরা তাদের উপর চড়াও হয়। তবে কোন ঝামেলা করতে দেয়নি পুলিশ। পুলিশ স্কট দিয়ে ফেনী থেকে পার করে দেয়া হয়। এছাড়া দাগনভূঞায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো ছিল। কিন্তু পুলিশ সেটিও প্রতিরোধ করেছে। ধাক্কাধাক্কি হলেও কোন হামলা হয়নি। তবুও তাদের যদি কোন অভিযোগ থাকে তা করতে বলা হয়েছে। পুলিশ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে। সারাদেশে অব্যাহত নারী ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন ও হত্যাসহ নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে গত কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলে আসছিল রাজধানীসহ সারাদেশে। আন্দোলনে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ের দাবি তোলা হয়। আন্দোলনের পেক্ষিতে সরকার আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি করে। বাম ঘরোনার ছাত্র সংগঠনগুলো ধর্ষণ যৌন নিপীড়ন ও হত্যাসহ নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে জনমত গঠনের পাশাপাশি এসব ঘটনা বন্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবির প্রতি জনমত গঠনে লংমার্চের ঘোষণা দেয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শুক্রবার রাজধানী থেকে নোয়াখালির বেগমগঞ্জের এখালাসপুরের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করে ছাত্র সংগঠনগুলোর যৌথ মঞ্চ। ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ ব্যানারে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রীসহ বাম রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর যৌখ মঞ্চ গত শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু করে। গত শুক্রবার রাতে লংমার্চটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করে। রাতে সেখানে সমাবেশ শেষ করে গতকাল ভোরে ফেনীর উদ্দেশে রওনা দেয়। ফেনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে যৌথ মঞ্চ। সমাবেশ শেষ করে নোয়াখালীর উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে লংমার্চে অংশগ্রহণকারী যৌথ মঞ্চের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এ সময় ছাত্র নেতাদের বেধড়ক মারপিট করা হয়। লংমার্চে থাকা ৬টি বাস ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। সেখান থেকে দাগনভূঞায় গেলে সেখানেও হামলা করা হয়। দু’দফা হামলার সময় পুলিশ থাকলেও তারা চুপচাপ ছিল। তাদের উপস্থিতিতেই দু’দফা হামলা হয়েছে লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের উপর।

যৌথ মঞ্চের নেতাকর্মীরা বলেন, গতকাল দুপুরে ফেনী শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মোড় এলাকায় লাঠিসোঁটা ও ইট নিয়ে এই হামলা চালায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে লংমার্চে অংশ নেতা নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। হামলাকারীরা লংমার্চকারীদের ছয়টি বাস ভাঙচুর করেছে। আহত হয়েছেন অনেকে। হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেনি। হামলার শিকার নেতাকর্মীদের রক্ষায়ও এগিয়ে আসেনি। হামলায় পুলিশেরও মৌন সমর্থন ছিলো। ফেনীর পর লংমার্চকারীদের দাগনভূঞায় সমাবেশের কথা ছিল। কিন্তু সেখানেও বাম জোটের সমাবেশে হামলা হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয। পৌরসভার জিরো পয়েন্টে আতার্তুক স্কুল মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ছাত্রফ্রন্ট নেতা আল কাদেরী জয় বলেন, সমাবেশ শেষ করে দুপুর ১২টার দিকে তারা লংমার্চ নিয়ে শহরের শাস্তি কোম্পনী মোড় এলাকায় যেতে চাইলে বাধা দেয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের একদল নেতা-কর্মী। পুলিশের উপস্থিতিতে তারা হামলা চালায়। হামলায় ৩০ জনের মতো আহত হয়েছেন। লংমার্চে থাকা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন জানিয়েছেন ‘সকাল ১০টার দিকে আমরা ফেনীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ শুরু করি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সমাবেশ শেষ হয়। তারপর আমরা যখন বেগমগঞ্জের উদ্দেশে বাসে উঠতে যাই, তখন ছাত্রলীগ-যুবলীগের লোকজন আমাদের উপরে অতর্কিতে হামলা করে। তাদের সঙ্গে পুলিশও যোগ দেয়। হামলায় অনেকে আহত হলেও তাদের ফেনীতে চিকিৎসা করানো যায়নি। ফেনী ছেড়ে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে এসে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে ।

আহত ছাত্র ইউনিয়নকর্মী ইমা বলেন, ডিবি পুলিশের পোশাক পরিহিত একজন আমাকে পিছন থেকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে আমি পড়ে কোমরে আঘাত পাই। পরে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা করে। পুলিশ নিশ্চুপ ছিল। আহত ছাত্র ইউনিয়নকর্মী আসমানি আশা বলেন, ‘পুলিশের ইশারায় ছাত্রলীগের কর্মীরা লাঠি ও লোহার রড নিয়ে হামলা করে। মিছিলের পেছন থেকে ইট, লোহার টুল ছুড়ে মারে। পুলিশ কিছুই করেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেনীর এক ছাত্রফ্রন্ট নেতা বলেন, ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক শুশেন চন্দ্র শীল, যুবলীগ নেতা মানিকের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রথমে ধাওয়া করা হয়। ওই মিছিল থেকে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা করে। হামলাকারীরা ফেনীর স্থানীয় সংসদ সদস্যদের লোকজন।

হামলায় আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুশেন চন্দ্র শীল বলেন ‘লংমার্চে অংশগ্রহণকারীরা শহরের জিরো পয়েন্টে এলাকায় থাকা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নিজাম হাজারীর ছবিসম্বলিত ফেস্টুনে বিরূপ মন্তব্য লিখে চিকা মারে। ‘এতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়। তবে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কেউ হামলার সঙ্গে জড়িত নয়।

জিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, লংমার্চকে কেন্দ্র করে ফেনীতে যে ব্যঙ্গাত্মক লেখনী, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে তা কখনোই কাম্য নয় এবং তা উচিত নয়। এ ঘটনায় আমাদের পুলিশের ২ জন সদস্য আহত হয়েছে। আমি ফেনীর পরিস্থিতি অবহিত হয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছি। পরিদর্শনে এসে ধারণা করা গেছে, স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছবিতে আপত্তিকর মন্তব্য লেখার কারণে এ ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সবাইকে অনুরোধ করব আইনশৃঙ্খলা মেনে চলার জন্য। তিনি বলেন, আপানি র‌্যালি করবেন, করুন। আপনার বক্তব্য দেবার আছে, দিন। আমরা নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে কোন উস্কানিমূলক কথা বলা বা লেখা কারও পক্ষে উচিত নয়। লংমার্চকারীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ পথ জুড়েই তাদের নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি। গতকালও তারা কুমিল্লায় শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করে এসেছে। নোয়াখালীতেও আমরা অনুকূল ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু ফেনীতে যে ঘটনা ঘটেছে তা অনাকাক্সিক্ষত, এটি আমরা কেউই প্রত্যাশা করি না। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। করলে তা বিবেচনা করা হবে। তাছাড়া আইনগতভাবে পুলিশ যা করণীয় তা করবে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স জানান, লংমার্চটি শাহবাগ, গুলিস্তান হয়ে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় যায়। তারপর তারা সোনারগাঁ হয়ে কুমিল্লায় যায়। কুমিল্লা শহরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করার পর লংমার্চ যায় ফেনীতে। গতকাল ফেনী শহরে সমাবেশ শেষে দাগনভুঞা, নোয়াখালীর চৌমুহনী হয়ে যাওয়ার কথা ছিল বেগমগঞ্জের একলাসপুর। সেখান থেকে মাইজদী কোর্টের সামনে সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হওয়ার কথা লংমার্চটি। ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ এ স্লোগানে লংমার্চে পূর্ব ঘোষিত নয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জনমত গঠনের মূল উদ্দেশ্য। এ নয় দফা দাবি হলো : সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-নারীর প্রতি সহিংসতার সঙ্গে যুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণ, নিপীড়ন বন্ধ ও বিচারে ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। পাহাড়-সমতলে আদিবাসী নারীদের ওপর সামরিক-বেসামরিক সকল প্রকার যৌন ও সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। হাই কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতনবিরোধী সেল কার্যকর করতে হবে। সিডও সনদে বাংলাদেশকে স্বাক্ষর ও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক সব আইন ও প্রথা বিলোপ করতে হবে। ধর্মীয়সহ সব ধরনের সভা-সমাবেশে নারী বিরোধী বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন বন্ধ করতে হবে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে বিটিসিএলের কার্যকরী ভূমিকা নিতে হবে। সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। তদন্তকালীন সময়ে ভিকটিমকে মানসিক নিপীড়ন-হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভিকটিমের আইনগত ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধ বিজ্ঞান ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়িয়ে অনিষ্পন্ন সকল মামলা দ্রুত নিষ্পন্ন করতে হবে। ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-১৫৫(৪) ধারাকে বিলোপ করতে হবে এবং ডিএনএ আইনকে সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে কার্যকর করতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে নারীর প্রতি অবমাননা ও বৈষম্যমূলক যে কোন প্রবন্ধ, নিবন্ধ, পরিচ্ছেদ, ছবি, নির্দেশনা ও শব্দ চয়ন পরিহার করতে হবে। গ্রামীণ সালিসের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।