• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ২৩ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

দেশে ১১ হাজার বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে রয়েছে

সড়কে মেট্রোরেলের নামে অযথা রাস্তা বন্ধ না করার নির্দেশ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯

সড়কে মেট্রোরেলের কাজের নামে অযথা রাস্তা বন্ধ না করার নির্দেশ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি। এছাড়া বাংলাদেশে ১১ হাজার বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে রয়েছেন। সরকারি অর্থে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ দেশে মাদকের প্রবেশ বন্ধে সীমান্তের ৩২টি পয়েন্টে টহল জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ যৌথ টহল জোরদার করা হবে। মায়ানমার থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন সীমান্তপথে যেন কোন মাদক আসতে না পারে সে কারণে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।

বৈঠক শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বৈঠকে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে সড়কে মেট্রোরেলের কাজের নামে অযথা রাস্তা বন্ধ না করা হয় সে জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। রাজধানীবাসীর ভোগান্তি এড়াতে মেট্রোরেলের কাজের সময় অযথা যেন বেড়া দিয়ে সড়ক বন্ধ না করা হয়। বিশেষ করে ঢাকা শহরে মানুষের চরম একটা দুর্ভোগ ট্রাফিক জ্যাম নিয়ে। মেট্রোরেল ও নাগরিক সুবিধা দেয়ার জন্য রাস্তাঘাট খোঁড়া হচ্ছে। সেটা যাতে মানুষের সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা যায় সেজন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, বাড়ির মালিকদের কাছে ভাড়াটিয়াদের সঠিক ঠিকানা না থাকায় অনেকে অপরাধ করে পার পেয়ে যায়। যাতে এটা করতে না পারে, প্রত্যেক বাড়ির মালিক যেন ভোটার আইডি কার্ড দেখে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে ভাড়া দেন, সে ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে বলা হয়েছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর। আমার মনে হয় আগের চেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণে আছে। অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে অতীতে বিদেশ গেছে। আগের মিটিংগুলোয় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যাতে পাসপোর্ট না পায়। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে আমরা এ কাজটি করতে পেরেছি। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাওয়ার কোনো অবস্থা নেই। প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অসুসরণ করছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সারাদেশে মাদকবিরোধী, যৌতুকবিরোধী ও নারী নির্যাতনবিরোধী বড় সমাবেশ হয়েছে, যাতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা যায়।

বাংলাদেশে ১১ হাজার বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে রয়েছেন। সরকারি অর্থে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়ে কমিটির সভাপতি বলেন, অনেক বিদেশি নাগরিক এ দেশের পাসপোর্ট নিয়ে আসে। পরে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে অনেকেই যান না, থেকে যান। তারা মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় আছেন। আমাদের গত সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল তাদের চিহ্নিত করা। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা তাদের চিহ্নিত করেছে। এখন সমস্যা দেখা দিয়েছে, ওরা যে ফেরত যাবে তাদের কাছে টাকাও নেই। ওদের আমরা কী করব? আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকারের কাছে অনুরোধ করব কিছু টাকা বরাদ্দ দেয়ার জন্য। যাতে অবৈধভাবে বসবাসকারী লোকদের তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া যায়।’