• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ২২ জিলকদ ১৪৪১

নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরু

তৎপর কোচিং সেন্টার

লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করা

সংবাদ :
  • রাকিব উদ্দিন

| ঢাকা , রোববার, ০৫ জানুয়ারী ২০২০

নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টারের দিকে আকৃষ্ট করতে সারাদেশে বেপরোয়া প্রচারণা চালাচ্ছে কোচিং সেন্টারগুলো। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অলিগলির দেয়াল ও বিদ্যুতের খুঁটিতে সাঁটানো হয়েছে কোচিং সেন্টারগুলোর চটকদার প্রচারপত্র, বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড ইত্যাদি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে অভিভাবকদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে কোচিং সেন্টারের প্রচারপত্র ও লিফলেট। এসব প্রচার-প্রচারণায় খোদ শিক্ষামন্ত্রীর ছবিও ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকার কোচিং সেন্টার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যবসায়িক কারণে গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোর নানা তৎপরতায় তা কার্যকর হচ্ছে না। বেসরকারি কোচিং ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সরকারি হাইস্কুলের এক শ্রেণীর শিক্ষকও ঝুঁকে পড়ছেন কোচিং ব্যবসার দিকে। চট্টগ্রামে সরকারি হাইস্কুলের ৪৩ জন কোচিংবাজ শিক্ষককে চিহ্নিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। কোচিং ব্যবসায়ীদের বেপরোয়া তৎপরতার ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দিনে দিনে কোচিং সেন্টার নির্ভর হয়ে পড়ছে। এ কারণে একদিকে শিক্ষার মান কমছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু কোচিং সেন্টার ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাৎসরিক কিস্তিতে শাখা ভাড়া নিচ্ছেন। এতে দেশব্যাপী শিক্ষা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটছে। শিক্ষা প্রশাসন এসব দেখেও না দেখার ভান করে আছে। এতে দিশেহারা হয়ে পরছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার ২০১২ সালে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করলেও সেটি বাস্তবায়নের কোন তৎপরতা নেই। বর্তমান শিক্ষা প্রশাসনও ওই নীতিমালা বাস্তবায়নের পক্ষে নয়; তারা ‘রিভিউ’র নামে নীতিমালাটি ঝুলিয়ে রেখেছে। এর সুবিধা ভোগ করছেন কোচিং ব্যবসায়ীরা।

‘ইউসিসি’ কোচিং সেন্টারের মালিক ও বিএনপিপন্থি আবদুল হালিম পাটওয়ারী নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘আবদুল হালিম পাটওয়ারী ফাউন্ডেশন’র পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে অভিনন্দন জানিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাইনবোর্ড ও বিলবোর্ড ঝুলিয়েছেন। এসব বোর্ডের আড়ালে মূলত নিজেদের কোচিং সেন্টারেরই প্রচারণা চালানো হচ্ছে। শিক্ষার্থী আকৃষ্ট করতে বিলবোর্ডে শিক্ষামন্ত্রীকে একই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠিত ‘আইডিয়াল ল কলেজ’র সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে ‘জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০১০’ প্রণয়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর শেখ ইকরামুল কবির সংবাদকে বলেন, ‘আইন করে কিংবা সরকারি আদেশ জারি করে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করা যায়। শিক্ষা আইন করার কথা ছিল, সবার মতামত নিয়ে সেটির খসড়াও চূড়ান্ত করা হয়েছিল; কিন্তু এক শ্রেণীর আমলা সেটি করতে দিচ্ছেন না। আইন হলে কোচিং বাণিজ্য ও নিষিদ্ধ নোট-গাইড বইয়ের বাণিজ্যও বন্ধ হতো। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘উদ্ভাস’ কোচিং সেন্টারের মালিকরা বিভিন্ন জেলায় ন্যূনতম অর্ধশত শাখা খুলে বেপরোয়া শিক্ষা বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছে। এই কোচিং সেন্টারের বিভিন্ন শাখায় বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার কোচিং বাণিজ্য হয়। মাঠ প্রশাসন ও শিক্ষা প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় অনেক কর্মকর্তা এই কোচিং বাণিজ্যের ভাগবাটোয়ারা পায় বলে ওই কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

‘সাইফুর্স’র নামে সারাদেশে প্রায় ৯০টি শাখায় কোচিং ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি শাখা থেকে বছরে ন্যূনতম ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা গুণছে সাইফুর্সের মালিকরা।

‘ইউসিসি’ কোচিং সেন্টারের নামে ৬১ জেলায় নূন্যতম তিনশ’ শাখায় শিক্ষা বাণিজ্য চলছে। প্রতিটি শাখা থেকে বছরে ন্যূনতম চার লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন ‘ইউসিসি’ মালিকরা। কোন শাখার মালিক নির্ধারিত সময়ে টাকা দিতে অপারগ হলে তার চুক্তি বাতিল কিংবা বাড়তি টাকায় চুক্তি নবায়ন করতে চাপ প্রয়োগ করা হয়।

সারাদেশে বিভিন্ন ধরণের প্রায় এক লাখ কোচিং সেন্টার রয়েছে বলে কোচিং সেন্টার মালিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ কোচিং অ্যাসোসিয়েশন’র নেতারা জানিয়েছেন। প্রতিটি কোচিং সেন্টারের সঙ্গে গড়ে ১০/১৫ জন স্থানীয় যুবক ও ব্যক্তি জড়িত, যাদের বেশিরভাগই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এসব কোচিং সেন্টারের বেশিরভাগই সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু সংবাদকে বলেন, ‘বাণিজ্যিকভাবে বিশেষ করে, ইউসিসি, সাইফুর্স ও উদ্ভাস-এই ধরনের শিক্ষা বাণিজ্য আইন করে বন্ধ করতে হবে। এদের বাণিজ্য সারাদেশে ছড়িয়ে পরেছে। আর সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালে নীতিমালা করা হলেও সেটি বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না শিক্ষা প্রশাসন।’

গত বছরের অক্টোবর পুলিশের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কোচিং সেন্টারের একটি তালিকা দেয়া হয়। ওই তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরীতেই কোচিং সেন্টার রয়েছে ৪৮৮টি। এরমধ্যে রমনা এলাকায় ৪৬টি, লালবাগে ৫১টি, মতিঝিলে ৯৬টি, ওয়ারিতে ৫২টি, গুলশানে ২০টি, তেজগাঁওয়ে ৬৪টি, মিরপুরে ৮৮টি এবং উত্তরা এলাকায় ৩১টি কোচিং সেন্টার রয়েছে।

চট্টগ্রামে কোচিং বাণিজ্যে সরকারি হাইস্কুলের ৪৩ শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন চট্টগ্রাম মহানগরীর ৯টি সরকারি স্কুলের ৪৩ জন শিক্ষক। তাদের বেশিরভাগই ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের শিক্ষক। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নজরদারির পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে। অবৈধভাবে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে আয় করা, ব্যক্তিগতভাবে কোচিং ব্যবসা পরিচালনাসহ নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠে নামছে দুদকের একাধিক টিম। কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য সরবরাহ করতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে মাউশির চট্টগ্রাম কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

মাউশির চট্টগ্রাম অফিসের উপপরিচালক হোসনে আরা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, চট্টগ্রামের ৯টি সরকারি স্কুলের ৪৩ শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে শিক্ষকতার পেশাকে কলঙ্কিত করছেন। দুদকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এসব শিক্ষককে নজরদারিতে আনলে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে। ৪৩ শিক্ষকের অপকর্মের যাবতীয় তথ্য দিতে মাউশি চট্টগ্রাম অফিস প্রস্তুত।

সম্প্রতি ৪৩ জন শিক্ষকের নাম, পদবি, কোচিং ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার বিস্তারিত উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা মাউশির চট্টগ্রাম অফিস থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির প্রধান কার্যালয়ে চিঠি দেয়া হয়। ওই শিক্ষকের বেশিরভাগই একই কর্মস্থলে প্রায় ১০ থেকে ২০ বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন।

‘কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা’ বাস্তবায়নে গড়িমসি :

‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোন শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিয়ে একদিনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সীমিতসংখ্যক (১০ জনের বেশি নয়) শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ছাত্রছাত্রীর তালিকা, রোল, নাম ও শ্রেণী উল্লেখ করে জানাতে হবে।

কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে সরকারি-বেসরকারি স্কুল (নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক), কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর), মাদ্রাসা (দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল) ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে মহনগরী এলাকার প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাসে ৩০০ টাকা, জেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০০ টাকা এবং উপজেলা ও অন্য এলাকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা নেয়া যাবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ইচ্ছা করলে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত টাকা কমাতে বা মওকুফ করতে পারবেন। একটি বিষয়ে মাসে কমপক্ষে ১২টি অতিরিক্ত ক্লাস এবং প্রতি ক্লাসে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে বলে নীতিমালায় বলা হয়েছে।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষা প্রশাসনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধির মতামত নিয়ে ২০১২ সালের ‘কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম দিকে এই নীতিমালাটি উচ্চ আদালতের স্বীকৃতিও পায়। এরপরও কোচিং ব্যাবসায়ী ও নিষিদ্ধ নোট-গাইড বইয়ের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্য থাকা এক শ্রেণীর আমলার তৎপরতায় ‘রিভিউ’র নামে ওই নীতিমালার বাস্তবায়ন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

গত ১০ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি (সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী) বলেন, ‘সাত বছর আগে জারি হওয়া কোচিং নীতিমালা, ২০১২ রিভিউ (পর্যালোচনা) হওয়া আবশ্যক। সংশোধিত নীতিমালায় বিশেষত : ছাত্রছাত্রীদের কোচিংয়ে বাধ্য করা, ক্লাস বাদ দিয়ে শিক্ষক কর্তৃক কোচিংয়ে জড়িত থাকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে যথাযথ নির্দেশনা থাকবে।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংশোধিত নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোচিংয়ের কোন বিষয়গুলো গ্রহণ করা যায়, কোন বিষয়গুলোতে বিধি-নিষেধ আরোপ করতে হবে তা সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করতে হবে।’

ওই সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘সিটি করপোরেশনসমূহ কোচিং সেন্টারের অনুমতি দিচ্ছে। বিষয়টিতে সরকারি নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটছে কিনা যাচাই করা প্রয়োজন।’

নীতিমালা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তার এমপিও স্থগিত থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত পর্যন্ত করা যাবে। এমপিওর বাইরের কোন শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতনভাতা স্থগিতের পাশাপাশি তাকেও বরখাস্ত করা যাবে। কোচিং-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সরকার পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়াসহ প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা অধিভুক্তি বাতিল করতে পারবে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫-এর অধীনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।