• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১

ডিসেম্বর পর্যন্ত সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ রাখার নির্দেশ সড়কমন্ত্রীর

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সামনে নির্বাচন তাই আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে গাজীপুর থেকে সড়কে যে খোঁড়াখুঁড়ি হচ্ছে তাতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সামনে নির্বাচন। গাজীপুর হচ্ছে উত্তরবঙ্গের গেটওয়ে। আমরাসহ বিভিন্ন দল সভা সমাবেশে যাবে। তাই মানুষের যাতে দুর্ভোগে পড়তে না হয় সেজন্য আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সড়কে সব খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ রাখতে হবে। এটা তো আমাদের স্বপ্নের প্রজেক্ট। আর প্রজেক্ট তো এখনই শেষ হচ্ছে না। তাই খোঁড়াখুঁড়ি বাদে অন্যান্য কাজ চলমান থাকবে, শুধু খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ থাকবে। গতকাল দুপুরে নগর ভবনে ডিটিসিএ’র ১১তম সভায় এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

এ সময় ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের কোনভাবেই ছাড় দেয়া যাবে না বলে হুঁশিয়ার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে আমার গাড়িরও মামলা দেবেন, জরিমানা করবেন। আর কোন ভিআইপি আইন মানে না, সেটা দেখবেন। এটা স্ট্রিকলি দেখতে হবে। মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বাধ্যতামূলক থাকতে হবে। অনেক সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে বাচ্চারা থাকে। বাচ্চাদেরও হেলমেট বাধ্যতামূলক করতে হবে। শিশু আরোহীদের জন্যও হেলমেট বাধ্যতামূলক।

ভিআইপি রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করেন উল্লেখ করে সড়ক-পরিবহনমন্ত্রী বলেন, এটা স্ট্রিকলি দেখতে হবে। কোন ভিআইপি আইন মানেন না। কোন ভিআইপি বাধা দেয় সেটাও দেখবেন। আমার গাড়িও ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে ধরবেন, জরিমানা করবেন। ‘ল’ মেকার শুড নট বি ‘ল’ ব্রেকার।’ এ সময় ট্রাফিক বিভাগ ও হাইওয়ে পুলিশের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা যত কার্যক্রমই নেই না কেন, উপকারভোগীরা যদি উপকার না পায় তাহলে আমরা যে কার্যক্রম চালাচ্ছি তার দরকারটা কি? দুর্ঘটনা তো কমছে না, যানজট কমছে না। এজন্য আরও জোরালোভাবে কার্যক্রম চালাতে হবে। হাইওয়েতে থ্রি হুইলার চলবে না, তারপরও চলছে। মহাসড়কে ৮০-এর উপরে গতি থাকবে না, এটা নির্দেশনাই আছে, তারপরও স্পিডে ট্রাক চলে কিভাবে? তাহলে সেই নির্দেশনার কার্যকরিতা কি?

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতিসংঘে যাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতিসংঘ যদি তাকে আমন্ত্রণ করে, তারা যদি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে দেখা করেন, তাতে কোন অসুবিধা নেই। জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে কী এজেন্ডা আছে আমি তা জানি না। নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হতে পারে। তারা তো জাতিসংঘে অবিরাম অভিযোগ দিয়েই যাচ্ছে। দেশের বিরুদ্ধে নালিশ করছে, সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ করছে, সেসব নালিশের ব্যাপারে তাদের মতামত কী, সামনাসামনি তাদের পলিটিক্যাল উইং আলাপ করতে পারে বলে অনুমান করছি। সেটা নিয়ে আমাদের আপত্তি করার বিষয় নয়। আমাদের শক্তির উৎস এদেশের জনগণ। নির্বাচনে জনগণ পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। আমাদের সিদ্ধান্ত, কোন সংবিধানবহির্ভূত ‘প্রেসারের’ বা চাপের কাছে আমরা মাথানত করবো না। আর নির্বাচনকালীন সরকারের বিএনপিকে তো আমন্ত্রণ করিনি, তারা তো সংসদে নেই।