• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ রবিউস সানি ১৪৪১

অস্ত্র মামলা

জিকে শামীমের ৭ দেহরক্ষী ফের রিমান্ডে

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

যুবলীগ নেতা হিসেবে আলোচিত জিকে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে আরেক মামলায় তিন দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ অক্টোবর মুদ্রা পাচার মামলায় তাদের চার দিনের রিমান্ড দিয়েছিলেন আদালত। রিমান্ড শেষে রোববার তাদের আদালতে হাজির করা হয় এবং রাজধানীর গুলশান থানায় করা অস্ত্র মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক। সাত দেহরক্ষী হলেন- মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন ও মো. আমিনুল ইসলাম।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিদের ১০টি কার্তুজসহ গ্রেফতার করা হয়। আসামিরা তাদের নিজ নামীয় লাইসেন্সকৃত অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের মালিক হয়। আসামিরা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অজুহাতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও মূলত তারা প্রদত্ত অস্ত্রের শর্ত ভঙ্গ করে প্রকাশ্যে এসব অস্ত্র বহন এবং প্রদর্শন করে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করেন। সরকারের অনুমোদন ছাড়া অস্ত্রগুলো কোথায় কোথায় ব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা, অর্থ, টেন্ডারবাজি করেছেন তার তথ্য জানা, সরকারি অনুমতি ব্যতীত কী কী উদ্দেশ্যে এতগুলো অস্ত্র নিয়ে জনসম্মুখে প্রদর্শন করে ঘুরে বেড়াতো, জব্দকৃত অস্ত্রগুলো ব্যতীত তাদের কাছে আর কোন অস্ত্র আছে কিনা, সরকারি লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে এ মামলার প্রধান আসামি জিকে শামীমের আর কে কে দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করে এবং তাদের কী কী অস্ত্র আছে এসব কারণসমূহের রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতনে শামীমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে নগদ প্রায় দুই কোটি টাকা, পৌনে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদ পাওয়ার কথা জানায় র‌্যাব। তখন শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় তিনটি মামলা করে র‌্যাব। এরমধ্যে অস্ত্র ও মুদ্রা পাচার মামলায় সবাইকে আসামি করা হলেও মাদক আইনের মামলায় শুধু শামীমকে আসামি করা হয়েছে।