• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

জিকে শামীম ফের ৯ দিনের রিমান্ডে

সংবাদ :
  • আদালত বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৯

image

রাজধানীর গুলশান থানার অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং (অর্থপাচার) আইনের মামলায় ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে ফের ৯ দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম আসামিকে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এর আগে অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে অস্ত্র মামলায় আরও সাত দিন এবং মা?নি লন্ডারিং মামলায় ১০ দি?ন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে অস্ত্র মামলায় চার দিন এবং মুদ্রা পাচার আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি চায় বিচারক।

অর্থপাচারের মামলার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনের মামলা ছাড়াও অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা রয়েছে। র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে চালানো অভিযানে তার অফিসের লোহার সিন্দুক থেকে নগদ অর্থ, চেক বই, এফডিআর ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। সেখানে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও ৯ হাজার ইউএস ডলার পাওয়া যায়। এছাড়া, আসামির মায়ের নামে ১০টি এফডিআরে মোট ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকাসহ ৩৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও চেক বইয়ের পাতা জব্দ করা হয়।

অস্ত্র মামলায় রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, ঘটনার প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রকাশ পায় যে, তিনি একজন চিহ্নত চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী (ক্যাসিনো) হিসেবে পরিচিত। এজাহারনামীয় অন্য আসামিরা (তার সাত দেহরক্ষী) দীর্ঘদিন ধরে নিজ নামে লাইসেন্স করা অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেন। টেন্ডারবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসাসহ স্থানীয় বাস টার্মিনাল, গরুর হাটে চাঁদাবাজি করে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের মালিক হওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলেও ব্যাপক তদন্তের প্রয়োজন আছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানের নিকেতনে নিজ কার্যালয় থেকে তার সাত দেহরক্ষীসহ আটক করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। এরআগে যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ঠিকাদারি চালিয়ে আসা শামীম রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত। গণপূর্ত ভবনে ঠিকাদারি কাজে তার দাপটের খবর সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।