• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ২২ জিলকদ ১৪৪১

সোলেইমানি হত্যা

কী ঘটতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে?

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , রোববার, ০৫ জানুয়ারী ২০২০

image

সোলেইমানির শবযাত্রা

ইরানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর জেনারেল এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কুদসের প্রধান কাসেম সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ শুধু ইরানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিয়েছে তেহরান। বাগদাদে এক মার্কিন বিমান হামলায় সোলেইমানি নিহত হবার পর দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কাউন্সিল বলেছে, ‘সঠিক সময়ে এবং সঠিক জায়গায়’ এ হত্যার প্রতিশোধ নেয়া হবে। নিরাপত্তা কাউন্সিলের ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনি। অন্যদিকে সোলেইমানি নিহত হবার পর বিশ্ব নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এরইমধ্যে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত তিন হাজার সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা মিত্ররা ট্রাম্পের এমন কর্মকাণ্ডে সমর্থন দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মাইক পম্পেও। এদিকে সোলেইমানির মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জ্বলে উঠেছে ইরান ও ইরাক। দিকে দিকে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী বিক্ষোভ। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যেও কিছু কিছু দেশে বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান, রয়টার্স, সিএনএন, আল-জাজিরা। ইরান বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হতদরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা কাসেম সোলেইমানি দায়িত্ব পালন এবং প্রভাব বিস্তারের মানদণ্ডে ছিলেন ইরানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি তাই তার হত্যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। এ দিকে কাসেম সোলেইমানি নিহতের ঘটনা নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস বিভক্তি হয়ে পড়েছে। ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান ও বিরোধী ডেমোক্র্যাট শিবির পরস্পরবিরোধী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। রিপাবলিকানরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসায় হয়েছে পঞ্চমুখ। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা সোলেইমানির ওপর হামলার বৈধতা এবং এর পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সোলাইমানিকে হত্যার একদিনের মাথায় ইরাকে নতুন করে ইরানি-সমর্থনপুষ্ট বাহিনীর ওপর আবারও হামলা চালিয়েছে তারা। উত্তেজনা নিরসন করতে চাইছে তারা। তবে বিশ্লেষকদের অভিমত, ইরানি সেনাবাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হত্যার মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ উসকে দিয়েছে ওয়াশিংটন। তাদের মতে, সোলাইমানিকে হারানোর পর ইরানি বাহিনীর সক্ষমতায় ভাটা পড়লেও যেকোনও উপায়ে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করবে তেহরান।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মাজিদ তাখতে রাভানচি। গত শুক্রবার মার্কিন টেলিভিশন সিএনএনের আউট ফ্রন্ট অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাভানচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা প্রকৃতপক্ষে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে। এটি একটি নতুন অধ্যায় যা ইরানের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধের সূচনা করলো।’ ‘মেজর জেনারেল সোলেইমানি মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার পরিকল্পনা করছিলেন এমন কোনো প্রমাণ থাকলে তা ওয়াশিংটনের প্রকাশ করা উচিত ।’ এমন মন্তব্য করে ইরানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘সামরিক হামলার জবাব সামরিক হামলা দিয়েই হয়। সেটা কখন, কোথায় কীভাবে হবে ভবিষ্যতই তা বলে দেবে। দেশটির ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর রিয়ার এডমিরাল আল ফাদাবি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমকে বলেন, ‘তোমরা প্রতিশোধের জন্য অপেক্ষা কর। আর এ প্রতিশোধ শুধু ইরানেই সীমিত থাকবে না।’ মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সহযোগী দেশগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন ‘এ প্রতিশোধ বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে তারা।’ এর পাশাপাশি আল ফাদাবি আরও ‘সোলেইমানিকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে সেভাবেই প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তাদের বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘তারা বলছে তোমরা যদি প্রতিশোধ নিতে চাও তাহলে আমরা যেভাবে সোলেইমনিকে হত্যা করেছি সেভাবে নাও।’ তবে এ বার্তাটি ইরান কিভাবে পেয়েছে সেটি বিস্তারিত জানাননি ফাদাবি। গত প্রায় চারযুগ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে তেহরানে সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যোগাযোগের ভূমিকা রেখে আসছে। এ হামলার পর সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ওয়াশিংটনের একটি চিঠি ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভাদ জারিফ টেলিভিশনে আলাদা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস আমেরিকার একটি হাস্যকর বার্তা পৌছে দিয়েছে। এ চিঠির জন্য দেশটির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেকে পাঠিয়েছে বলেও জানান তিনি। ইরানের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা ঠিক করে দেয়ার মতো অবস্থানে এখন আর যুক্তরাষ্ট্র নেই বলেও উল্লেখ করে ফাদাবি বলেন, ‘আমেরিকাকে অবশ্যই ভয়াবহ প্রতিশোধের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।’

এদিকে সোলেইমানির মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জ্বলে উঠেছে ইরান। দিকে দিকে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বিক্ষোভ। গত শনিবার নিহত সোলেইমানির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে হাজারো মানুষ সমবেত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ইমাম কাদহিমের মাজার এলাকা থেকে শোক মিছিলটি শুরু হয়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবেদ আবদুল-মাহদিসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। কালো পোশাকে হাজারো মানুষ এ শোক মিছিলে অংশ নেয়। সোলেইমানির জানাজা ও এ শোক মিছিলে অংশ নেয়া সবাই ইরাকি এবং মিলিশিয়া বাহিনীর পতাকা বহন করে এবং স্লোগান দেয়, ‘আমেরিকার মৃত্যু চাই’। শহরের অনেকগুলো রাস্তাজুড়ে চলে এ শোক মিছিল। তাদের অনেকের হাতে ছিল সোলেইমানি এবং ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবি। এ সময় তারা ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক, ইসরায়েল ধ্বংস হোক’ স্লোগান দেয়। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় হেলিকপ্টারসহ নিরাপত্তারক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মার্কিন বাহিনীর বাগদাদে গড়ে তোলা গ্রিন জোনের গেইট বন্ধ রাখা হয়। মার্কিন দূতাবাসের প্রবেশপথও বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। তেহরানের লেবাননভিত্তিক মিত্র হিজবুল্লাহও সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ইরাকের আধাসামরিক বাহিনী বদর অর্গানাইজেশনের প্রধান হাদি আল আমেরি ইরাকের সব বাহিনীকে বিদেশি সেনা বহিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন। সোলেইমানির ভূমিকার প্রভাব ছড়িয়ে পড়া গাজা ও ইয়েমেনেও তার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধের ডাক শোনা গেছে। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চল ও হিজবুল্লাহর শক্ত অবস্থান দাহিয়েহতে রাজপথে বিক্ষোভ হয়েছে। অনেকেই সোলেইমানিকে ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতেন। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনির পর প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির থেকেও ক্ষমতাধর বলে মনে করা হতো। নিরাপত্তা অভিযান ও কূটনৈতিক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে ইরানের প্রভাব বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় ইরানের সামরিক অবস্থান স্থায়ী করার পর ইরাকেও একই ভূমিকা নিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থান নিশ্চিত করে ইরানের সীমান্তকে নিয়ে গেছেন ইসরায়েলের কাছে।

অন্যদিকে সোলেইমানিকে হত্যার পর নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামাতে ও আমেরিকানদের উপর হামলা ঠেকাতেই সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ট্রাম্প এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ শুরু নয় বরং যুদ্ধ থামাতেই এ পদক্ষেপ নিয়েছি।’ এ মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্য আরেকটি যুদ্ধ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত নয় জানিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তবে জাতিসংঘের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিশেষজ্ঞ আগনেস কালামার্ড বলেন, জেনারেল সোলেইমানি হত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এদিকে চীন সরকারের মুখপাত্র গেং শোয়াং বলেন তার দেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বল প্রয়োগের বিরোধি। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনের অংশ হিসেবে দেয়া এক বিবৃতিতে এমন মন্ত্য করেন তিনি। তবে উদ্ভুদ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছেন ফ্রান্সের ইউরাপ বিষয়ক জুনিয়র মিনিষ্টার অ্যামেলিয়ে ডে মন্টশালিন।

৬২ বছরের সুলেইমানির জন্ম হয় ১৯৫৭ সালে এক গরিব কৃষক পরিবারে। আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন, মাত্র ১৩ বছর বয়সে পরিবারের ঋণ শোধ করার জন্য তৎকালীন রাজ পরিবারের কাজে ঢুকে পড়েন। দিন আনি দিন খাই পরিস্থিতির মধ্যে কাটিয়েছেন বহু বছর। ১৯৭৯ সালে ইরানে রাজ পরিবারের পতন হয়। ক্ষমতায় আসেন আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি। খোমেনির বিপ্লবী সেনায় যোগ দেন কাসিম। দুই বছরের মধ্যে ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধ হয় ইরানের। সম্মুখ সমরে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেন কাসিম। এবং রাতারাতি একটি ব্রিগেডের দায়িত্ব পান। সেই শুরু তার উত্থান। ইরাকে ঢুকে যুদ্ধ করতে গিয়ে তার সেনা বাহিনীর বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তিনি নিজেও আহত হন। কিন্তু কখনও যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বলা হয়, সেই সময়েই ইরাকের সরকার বিরোধী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু কাসিমের। পরবর্তী কালে যা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের কূটনীতি বদলে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে আজ ইরানের যে প্রভাব তা একা হাতে তৈরি করেছেন কাসিম। তিনি শুধু ইরান নয়, ইরাক, লেবানন, ইরাক এবং সিরিয়ার পররাষ্ট্র নীতিও দেখাশোনা করেন। গাজা, প্যালেস্ট্ইান পর্যন্ত তার যাতায়াত ছিল।’ ২০০৮ সালে কাসিমকে ‘সব চেয়ে বড় শয়তান’ বলে চিহ্নিত করে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রসঙ্গত, সোলেইমানির মৃত্যুতে প্রাথমিক অবস্থায় ইরানর সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটিতে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেন। তবে বাগদাদ ও তেহরানে আগামী কয়েকদিন ধরে শোক পালন করতে যাচ্ছে সোলেইমানির সমর্থকরা। আজ তার মৃতদেহ ইরানে নিয়ে আসা হয় এবং পরবর্তীতে তার নিজ শহরে সোলেইমানিকে দাফন করা হবে।

পরিশেষে বলা যায়, সোলেইমানিকে হত্যা করতে পারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সাময়িক জয় তো বটেই। বহু দিন ধরেই তিনি মার্কিন লক্ষ্য ছিলেন। তবে তার মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়াতে পারবে কিনা? এমন প্রশ্নে রাজনীতি বিশেষজ্ঞদের অভিমত, অদূর ভবিষ্যতে কী হবে বলা মুশকিল। তবে সোলেইমানির হত্যা সহজে ভুলবে না ইরান এবং পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোর ইরান প্রভাবিত গোষ্ঠীগুলো। যুক্তরাষ্ট্রর বিরুদ্ধে এর প্রতিশোধ তারা নেবেই। যা আর ¯স্নায়ুযুদ্ধ নয়, বড় সড় যুদ্ধের সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। আন্তর্জাতিক কূটনীতি তা কীভাবে থামাতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।