• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৪ সফর ১৪৪২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৭

কক্সবাজার এসপি মাসুদসহ পুলিশের ৬ পদে বদলি 

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

কক্সবাজারের আলোচিত এসপি এবিএম মাদুস হোসেনসহ পুলিশের ৬ পদে রদবল হয়েছে। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এ রদবদল করা হয়। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যাকা-ে আলোচনায় থাকা কক্সবাজারের এসপি মাসুদ হোসেন কক্সবাজার থেকে রাজশাহীতে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের ২ ডিআইজি পদেও রদবদল হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের দুইজন ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ পুলিশ সুপার পদমর্যাদার চারজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলিকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে খুলনা মহানগরীর পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবিরকে গাজীপুর মহানগরীর পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশে বিশেষ শাখা (এসবি) ঢাকার ডিআইজি মো. মাসুদুর রহমান ভূঞাকে খুলনা মহানগরীর পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (লজিস্ট্রিক) মুনতাসিরুল ইসলামকে ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। উপ-কমিশনার মুনতাসিরুল ইসলামের আগে লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ডিএমপির মিডিয়া শাখার উপ-কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানকে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। আর কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনকে রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে। মো. শহিদুল্লাহ এর আগে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগে (ডিবি) দায়িত্ব পালন করেছেন। পুলিশ সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ ১ অধিশাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি পদায়ন করা হয়।

সম্প্রতি পুলিশের গুলিতে নিহত কক্সবাজারের টেকনাফে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ। পুলিশের চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর এ অবসরপ্রাপ্ত মেজরের গাড়ি থামিয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ পুলিশের দিকে পিস্তল তাক করায় তাকে গুলি করা হয়েছে। তার গাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারেও দাবি ছিল পুলিশের। এ ঘটনায় সিহনার দু’জন পরিচিত জনকেও আটক করা হয় যারা সিনহার সঙ্গে ডকুমেন্ট ফিল্ম তৈরির কাজে ছিল। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে সিনহাকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে কক্সবাজারের টেকনাফ থানার আলোচিত ওসি প্রদীপ কুমার, এসআই লিয়াকতসহ কয়েক পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার বোন। ওই মামলয় ওসি প্রদীপসহ আসামিরা বর্তমানে জেলে আছেন। এ মামলায় কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনকে আসামি হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেন মামলার বাদী। পরে বাদীর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। এবিএম মাসুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, সিনহাকে হত্যার পর কিভাবে ঘটনা ভিন্যখাতে প্রবাহিত করা যায়, তা তিনি অধীনস্থ পুলিশ সদস্যদের শিখিয়ে দিয়েছেন।