• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৫ রবিউল সানি ১৪৪০

উড়োজাহাজে ৩২ বাংলাদেশি যাত্রী ছিলেন

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস বাংলার উড়োজাহাজটিতে ৩২ বাংলাদেশি যাত্রী ছিলেন। যাদের মধ্যে গাজীপুরের নগরহাওলা গ্রামের একই পরিবারের পাঁচ সদস্য রয়েছে। ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস তথ্যটি নিশ্চিত করে।

সূত্র জানায়, উড়োজাহাজটিতে ক্রুসহ মোট ৭১ জন ছিলেন। যাত্রী ছিলেন ৬৭ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছাড়া ৩৩ জন নেপালি, একজন করে মালদ্বীপ ও চীনের যাত্রী ছিলেন। ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ সাংবাদিকদের বলেন, কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা ঢাকা থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। বিস্তারিত জানার চেষ্টায় আছি আমরা।

বিমানে থাকা একই পরিবারের পাঁচজন হলেন- উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে ফারুক আহমেদ প্রিয়ক (৩২), তার স্ত্রী আলমুন নাহার অ্যানি (২৫), তাদের একমাত্র সন্তান তামাররা প্রিয়ক (৩), নগরহাওলা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান মাসুম (৩৩) ও তার স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা আক্তার (২৫)। ফারুক পেশায় একজন ফটোগ্রাফার। মেহেদী হাসান পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। ফারুক ও মেহেদী হাসান সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই।

বিমানে থাকা ফারুক আহমেদ প্রিয়কের (৩২) মা ফিরোজা বেগম গাজীপুরের বাস ভবন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে দুর্ঘটনার পর এদের অবস্থা বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। ফারুকের মা ফিরোজা বেগম বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর একমাত্র শিশুকন্যা তামাররাকে ছাড়া পরিবারের সবাইকে টিভিতে দেখতে পেয়েছি। তারা সবাই ভ্রমণের উদ্দেশে নেপাল যাচ্ছিলেন।

দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজটি ছেড়ে যায়। নেপালে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সময় ২টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৩টা ৫ মিনিট) এটি বিধ্বস্ত হয়। তবে প্রাথমিকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ জানা যায়নি।

নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ থেকে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ চলছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঠিক কতজন নিহত হয়েছেন, তা এখনও জানা যায়নি।