• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ১ কার্তিক ১৪২৫, ৫ সফর ১৪৪০

উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকদের সামনে সৌদি আরব

সংবাদ :
  • সংবাদ স্পোর্টস ডেস্ক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন ২০১৮

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে মর্যাদা ও জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট বিশ্বকাপ ফুটবল। স্বাগতিক হিসেবে এবার অন্য সব ফেভারিটদের ভিড়ে রাশিয়ার ওপরও দৃষ্টি থাকবে ফুটবল সংশ্লিষ্টদের। এ কারণেই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে অন্তত নিজেদের সেরাটা দিয়ে প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট আদায় করতে চায় রাশিয়া। টুর্নামেন্টে নিচু র‌্যাঙ্কিংয়ের এই দুই দলের লড়াইয়ে স্বাভাবিকভাবেই সকলের মনোযোগ থাকবে স্বাগতিকদের পারফরমেন্সের ওপর। খেলাটি শুরু বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়।

রাশিয়ার ঐতিহাসিক লুজনিকি স্টেডিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার পর্দা উঠছে ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলের। ৮০ হাজার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বিশাল এই স্টেডিয়ামে স্তানিসলাভ চেরচেসোভের দল বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের ৭০তম অবস্থানে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করবে। গ্রুপ-এ’র প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরবের তুলনায় দেশটির অবস্থান তিন ধাপ নিচে। গত আট মাস যাবৎ কোন ম্যাচে না জেতায় রাশিয়ার জন্য বিশ্বকাপের শুরুটা অনেকটা চ্যালেঞ্জিং। গ্রুপের অপর দুটি দল হচ্ছে উরুগুয়ে ও মিসর।

গত সপ্তাহে মস্কোতে তুরস্কের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ করেছে রুশ বাহিনী। এই নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক চেরচেসোভের অধীনে টানা সাত ম্যাচ জয়বিহীন রাশিয়া। এর মধ্যে চারটিতে পরাজিত হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই আসরের প্রস্তুতির জন্য রাশিয়া ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়াার পর এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে যেতে পারেনি রাশিয়া। কিন্তু এবার স্বাগতিক হিসেবে অন্তত সেই বাধাটা দূর করতে চায় চেরচেসভ শিষ্যরা। ২০১০ সালে একমাত্র স্বাগতিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ইতিহাসে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। গত প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়ার এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করা ইগর আকিনফিভ আশা করেন তার দল যেকোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করতে প্রস্তুত। গত মাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ১-০ গোলে হারার পরে আকিনফিভ বলেছিলেন, রাশিয়া অবশ্যই এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু তা না হলে বিশ্বকাপে ভাল কিছু করা অসম্ভব। তবে রাশিয়ার সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে দলের খেলোয়াড়দের ইনজুরি।

অন্যদিকে ২০০৬ সালের পরে ফের বিশ্বকাপে সুযোগ লাভ করেছে সৌদি আরব। শীর্ষ পর্যায়ে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ে স্পেনের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার জন্য দেশটির ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা বেশ কিছুদিন ধরেই কাজ করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় দলের নয় জন খেলোয়াড়ের ব্যাপারে আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে আছে। বাসস/ওয়েবসাইট।