• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

আবরার হত্যা

আবরারকে হত্যা ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে খুনিরা

গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা অভি

সংবাদ :
  • সাইফ বাবলু

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯

মেধাবী ছাত্র আবরার আহমেদ ফাহাদকে হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে সব রকম তৎপরতা চালিয়েছে খুনিরা। এ জন্য তারা দফায় দফায় নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শ করেছে। কথা বলেছে হত্যায় নির্দেশদাতা বড় ভাইদের সঙ্গেও। এদিকে অভিযোগ উঠেছে আবরার হত্যায় জড়িত ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অনিক সাহাসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা যায়নি পুলিশ ও বুয়েট কর্তৃপক্ষের গাফলতির কারণে। তাদের এ গাফলতি খুনিদের রক্ষায়, নাকি ঘটনা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টায়- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

গতকাল আবরার হত্যায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আরেক ছাত্র অভিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া অভিকে আবরার হত্যার পর তার লাশ বের করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন তৎপরতায় ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। হলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে অভিকে দেখা গেলেও মামলার এজাহারে নাম ছিল না।

বুয়েট থেকে সেসব সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, এতে আবরার হত্যায় কারা কীভাবে জড়িত, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১৫ মিনিটের ফুটেজে হত্যায় অংশ নেয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের তৎপরতা রয়েছে। রুম থেকে লাশ বের করা, নিজেদের পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিবর্তন, মোবাইলে বড় ভাইদের সঙ্গে দফায় দফায় শলাপরামর্শ করেছে জড়িতরা। ফুটেজে লাশ সরিয়ে নেয়া, হত্যার

পর তাদের ছোটোছুটি- সবই ক্যামেরায় রয়েছে। ওই ফুটেজ পর্যালোচনা করছে ডিবি। গতকাল বুয়েটে গিয়ে ঘটনাস্থল, আবরারের কক্ষ পরিদর্শন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার খন্দকার রবিউল আরাফাত লেলিন। এ সময় সেখান থেকে মামলার তদন্তে আসতে পারে- এমন বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আলমত সংগ্রহ করা হয়েছে।

রবিউল আরাফাত বলেন, গতকাল আমরা ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছি। হলের সব ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা চলছে। গতকাল যেসব আলমত সংগ্রহ করা হয়েছে, তাতে আবরার হত্যায় কার কি ভূমিকা ছিল, কে কে জড়িত ছিল- সব কিছু খুঁজে পেতে কাজে আসতে পারে। তিনি বলেন, আমরা গতকাল পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতার হওয়া ১৩ জনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ঘটনার পর পরই গ্রেফতার হওয়া ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি মঙ্গলবার পাওয়া গেছে। আর ৩ জনের ৫ দিনের রিমান্ড গতকাল মঞ্জুর হয়েছে। সব আসামিকে পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাচাই করা হচ্ছে।

ডিবির তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবরারকে নির্যাতন করার পর মারধরের সঙ্গে জড়িতরা যখন বুঝতে পারে আবরার মারা গেছে, তখন তারা ঘটনা ভিন্ন খাতে নেয়ার তাৎক্ষণিক শলাপরামর্শ করেছেন। তারা একবার চেষ্টা করেছিল আবরারের রুমে মাদক রাখার জন্য- যাতে তারা বলতে পারে মাদক ব্যবসার জন্য আবরার গণপিটুনিতে মারা গেছে। কিন্তু এতে তারা সফল হননি। লাশ নিয়ে তারা বিপাকে পড়ে যায়। ফুটেজও ডিলিট করার চেষ্টা করেছিল- যাতে কোন প্রমাণ না মেলে।

আবরার হত্যায় গ্রেফতার হওয়া ১৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, তারা আবরারকে হত্যার পর নিজেদের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না লাশ কী করবে। যখন বুঝতে পারে আবরার মারা গেছে তখন লাশ গুম করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। কিন্ত চারদিকে লোকজন থাকায় তারা লাশ সরিয়ে ফেলতে পারেনি।

সিসিটিভি ক্যামেরায় ফুটেজে খুনিদের তৎপরতার চিত্র : সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে হত্যার পর খুনিদের তৎপরতা ফুটে উঠেছে। তারা নিজেদের মধ্যে দফায় দফায় শলাপরামর্শ করে কীভাবে এ হত্যকা-ের ঘটনা ধামাচাপা দেয়া যায়। সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ অনুযায়ী সাহাত, তানিম, ফাহাদ, সাইফুল, বিল্লাহ, অভি, জিয়ন, রবিন, অনিক, মুজাহিদ, জেমি, তোহা, রাফা, মোরশেদ, মনির, বিটু, সকাল, নিজাম, ইসমাইল, মাজেদ, মুয়াজকে বেশ তৎপর দেখা গেছে। আবরারকে রুম থেকে প্রথমে কোলে করে বের করে মুয়াজ, তানিম, জেমি ও সকাল। আরেকটি ফুটেজে দেখা গেছে, আরও ৪ জন আবরারকে একটি চাদর দিয়ে ঢেকে বের করে নিয়ে আসছে। তারা প্রত্যেকেই বারবার আসা-যাওয়া করছিল। ফোনে মেসেস, কথা বলা, নিজেদের মধ্যে দফায় দফায় শলাপরামর্শ করছে।

মামলায় আসামি যারা :আবরার হত্যায় সোমবার রাতে তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা হলো বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১৩তম ব্যাচের ছাত্র মেহেদী হাসান গ্রেফতার, মুনতাসির ফুয়াদ (২৩) গ্রেফতার, অনিক সরকার (২২), মেহেদী হাসান রবিন (২২), ইফতি মোশারফ সকাল (২১), মনিরুজ্জামান মনির (২১), মোফতাহুল ইসলাম জিয়ন (২২), মাজেদুল ইসলাম (২২), মুজাহিদুল ইসলাম (২১), তানভির আহমেদ (২১), হোসেন মো. তোহা (২০), জিসান (২১), আকাশ, শামিম বিল্লাহ (২০), সাদাত (২০), তানীম (২০), মোরশেদ (২০), মুয়াজ (২০) ও জেমি (২০)। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদীর ছেলে আবরার ফাহাদ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইইর ২য় বর্ষের ছাত্র। বাদী লোক মারফত জানতে পারেন, তার ছেলেকে কতিপয় ছাত্ররা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে জখম করে মৃত্যু ঘটায়। খবর পেয়ে তিনি ছুটে আসেন। এরপর ভিডিও ফুটেজ দেখে এবং বিভিন্ন ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে আসামিদের পরিচয় জানেন। আসামিরা ৬ অক্টোবর রাত ৮টায় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর রুমে হত্যার উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে পরদিন ৭ অক্টোবর রাত আড়াইটা পর্যন্ত লঠিসোটা দিয়ে মারধর করা হয়। এতে ঘটনাস্থলে তার ছেলে মারা যায়।

বড় ভাইদের কথা বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় আবরারকে : বাড়ি থেকে ফেরার পর আবরার ১০১১ নম্বর কক্ষে নিজের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ করে মেকিনিক্যাল বিভাগের আররারের ব্যাচমেট ও ছাত্রলীগ কর্মী মুনতাসির আল জেমি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এহতেশামুল রাব্বি তানিম আবরারের কক্ষে এসে তাকে খুঁজতে থাকে। ওই সময় আবরারের রুমমেট অন্তিম টেবিলে পড়ছিলেন। বড় ভাইয়েরা ডাকছে বলে তারা দু’জন আবরারকে ঘুম থেকে জেগে তোলে। জেমি তাকে বলে, ‘ভাইয়েরা তোকে ২০১১ নম্বর রুমে ডাকে। তোর মোবাইল ও ল্যাপটপ নিয়ে চল।’ এ সময় কক্ষের সামনে ছিল ১৭তম ব্যাচের মুয়াজ, সাইফুলসহ ৫-৬ জন। আবরারকে নিয়ে তারা সবাই ২০১১ নম্বর কক্ষে যায়। আবরারকে কক্ষ থেকে নেয়ার কিছুক্ষণ পর তার অপর দুই রুমমেট ১৬তম ব্যাচের মিজান ও ১৭তম ব্যাচের রাফি রুমে আসে। তাদের রুমে রেখে অন্তিম পলাশীতে কফি খেতে চলে যায়। আবরারকে একদফা মারধরের পর রাত ১০টার দিকে তার রুমে (কক্ষে) জামাকাপড় নিতে এসেছিল ছাত্রলীগ কর্মী ও মেক্যানিক্যাল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুনতাসির আল জেমি। জেমি ওই কক্ষে এসে আবরারের জামাকাপড় চায়। তারা মনে করেছিলেন, আবরার র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। কারণ এর আগেও এমন অনেক ছাত্র র‌্যাগিং হয়েছিলেন। পরে তারা আবরারকে দেখলে তাদের বলা হয় আবরারের কিছু হয়নি। সে নাটক করছে।

গণপিটুনে মারা গেছে আবরার- এমন প্রচার করার চেষ্টা হয়েছিল : আবরারকে মারধর করার পর তার ল্যাপটপ ও মোবাইল চেক করে ছাত্রলীগ কর্মীরা বুঝতে পারে, তারা বড় ভুল করে ফেলেছে। শিবির কর্মী তকমা লাগিয়ে আবরারকে নির্যাতন করে মারার পর যখন বুঝতে পারল, এ তকমা তারা কাজে লাগাতে পারবে না- তখন ভিন্ন পরিকল্পনা আঁটে। একপর্যায়ে আবরারের কক্ষের দরজা, জানালা বন্ধ করে সেখানে মাদক রাখার পরিকল্পনা করে। তারা চেয়েছিল মাদক রেখে এটা প্রচার করতে যে, মাদকসেবন বা মাদক ব্যবসার কারণে আবরার গণপিটুনিতে মারা গেছে। কিন্তু আবরার মারা যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আবরারের সহপাঠীরা আশপাশে জড়ো হয়। তারা আবরারের কক্ষ থেকে শুরু করে সবদিকে সতর্ক থাকে। এ কারণে ছাত্রলীগের ওই চেষ্টা আর সফল হয়নি।

  • আবরার হত্যাকারীদের সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী

    কিসের ছাত্রলীগ, কাউকে ছাড় নয়, অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি হবে

    বুয়েট চাইলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হল থেকে মাস্তানদের ধরা হবে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের হত্যাকারীদের’ সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এ নৃসংসতা কেন? এই জঘন্য কাজ কেন? এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

  • তৃতীয় দিনেও উত্তাল বুয়েট

    ভিসির পদত্যাগ দাবি

    শেরেবাংলা হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ লজ্জা প্রকাশ করে ফের হত্যার বিচার চাইল ছাত্রলীগ

    newsimage

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন

  • প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় ফুটে উঠেছে নিষ্ঠুরতার চিত্র

    আবরার ফাহাদের মতো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলে থাকেন আরাফাত ও মহিউদ্দিন। আবরারকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পিটিয়ে মুমুর্ষু অবস্থায় ফেলে

  • আবরার হত্যায় জাতিসংঘের নিন্দা

    বুয়টে শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমশিনের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে

  • মামলায় অমিত সাহার নাম না থাকায় ক্ষুব্ধ আবরারের বাবা

    বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে থাকে ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অমিত সাহাসহ কয়েকজন। মেধাবী ছাত্র আবরার আহমেদকে এ কক্ষেই ডেকে এনে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় অমিত সাহা উপস্থিত ছিল। অথচ

  • কুষ্টিয়ায় বুয়েট ভিসি

    এলাকাবাসীর তোপের মুখে পালিয়ে এলেন

    newsimage

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্রলীগ নেতাদের নির্যাতনে নিহত প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়ার

  • আবরার হত্যা

    ছাত্রলীগের আরও তিনজন রিমান্ডে

    দুই বহিষ্কৃত নেতা ইয়াবা অস্ত্র মামলায় রিমান্ডে

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় বুয়েট ছাত্রলীগের আরও তিন জনকে পাঁচদিন করে রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা

  • দেশটা টর্চার সেল : বিএনপি

    সরকার গোটা দেশটাকে টর্চার সেলে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। গতকাল নয়া

  • বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

    ঘাতকদের শাস্তি না হলে কঠোর আন্দোলন

    আবরার ফাহাদের এমন মৃত্যুতে শোকে মৃহ্যমান বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ

  • তিন মামলা

    ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    তিন মামলায় নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গতকাল ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।