• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২০, ১৪ জিলহজ ১৪৪১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

আবরার হত্যায় জড়িত কেউ ছাড় পাবে না

আইনমন্ত্রী

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, নোয়াখালী

| ঢাকা , শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০১৯

image

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকা-ের তদন্ত শেষে যাদের নাম বেরিয়ে আসবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবেÑ সে যে দলেরই হোক। সব আদালত ভবনকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।

ক্যামেরাগুলো মনিটর করা হবে। আবরার হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দেয়ার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে দ্রুত বিচারে নেয়া হবে কি না। এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতরা যে সংগঠনের হোক না কেন, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি গতকাল নোয়াখালীতে নবনির্মিত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা খানম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব গোলাম সারওয়ার, যুগ্ম সচিব ও ভবন নির্মাণের প্রকল্প সমন্বয়ক বিকাশ সরকার কুমার সাহা, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উৎপল চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবিএম জাকারিয়া ও সেক্রেটারি আজিজুল হক বকশী। এ সময় জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস, পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সামছুদ্দিন জেহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন বিচার বিভাগের জন্য একটি স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকবে। আগামী ৫০ বছরে এজলাসের অভাবে বিচারের প্রহর গুনতে হবে না। দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গত ১০ বছরে ১ হাজার ২৮ বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এমন কোন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে নাÑ যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। উন্নয়ন হচ্ছে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। এই পর্যন্ত ২৬টি জেলায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে বিচার বিভাগের আর অবকাঠামোগত সমস্যা থাকবে না। তিনি বলেন, আগে বিচারকদের বিদেশে কোন প্রশিক্ষণের গ্রহণের সুযোগ ছিল না। এ সরকার বিচারকদের বিদেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। মামলাজটের বিষয়টি দীর্ঘদিনের। এটি একদিনে হয়নি। বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আস্তে আস্তে মামলার জট কমবে এবং জনগণ ন্যায়বিচার পাবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যক্ষ করেছেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান আমলে ন্যায়বিচার পাননি। তাই প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগের প্রতি সংবেদনশীল ও শ্রদ্ধাশীল। বার ও বেঞ্চের সম্পর্ক ভালো থাকলে জনগণের ন্যায়বিচার পেতে সহায়ক হবে। সরকার চায় জনগণ যেন দ্রুত বিচার পায়। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেই চলবে না, বিচারকদের মনমানসিকতা বিচারমুখী হতে হবে।

আইনমন্ত্রী আদালত ভবনের সামনে ফিতা কেটে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।